আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (ACB) জোনাথন ট্রটের পরিবর্তে রিচার্ড পাইবাসকে নতুন হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ব্যর্থতা কাটিয়ে নতুন শুরুর লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত। আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (ACB) আনুষ্ঠানিকভাবে ইংলিশ বংশোদ্ভূত অভিজ্ঞ কোচ রিচার্ড পাইবাসকে তাদের জাতীয় পুরুষ ক্রিকেট দলের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। জোনাথন ট্রটের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, বিশেষ করে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায়ের ধাক্কা সামলে উঠতে পাইবাসের অভিজ্ঞতার ওপর ভরসা রাখছে বোর্ড। আগামী ১৩ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা সফরের সাদা বলের সিরিজ দিয়েই আফগান ড্রেসিংরুমে তার যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে।
রিচার্ড পাইবাস কেন আফগানিস্তানের নতুন প্রধান কোচ হিসেবে নির্বাচিত হলেন?
আফগানিস্তান ক্রিকেটের বর্তমান প্রেক্ষাপটে একজন অভিজ্ঞ এবং কৌশলগতভাবে দক্ষ কোচের প্রয়োজনীয়তা ছিল অপরিসীম। রিচার্ড পাইবাস এমন একজন ব্যক্তিত্ব যিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে কোচিং ও ক্রিকেট পরিচালনার সাথে যুক্ত। ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে পাকিস্তান দলকে সেমিফাইনালে তোলার পেছনে তার বড় ভূমিকা ছিল, যা তাকে এশিয়ান ক্রিকেটের কন্ডিশন সম্পর্কে গভীর ধারণা দিয়েছে। বোর্ড মনে করছে, আফগানিস্তানের বর্তমান স্পিন-নির্ভর আক্রমণ এবং উদীয়মান পেস ইউনিটকে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিতে পাইবাসের মতো একজন ‘ট্যাকটিক্যাল জিনিয়াস’ প্রয়োজন। তার নিয়োগের বিষয়ে এসিবি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা এমন একজনকে খুঁজছিলাম যার গ্লোবাল এক্সপোজার রয়েছে এবং যিনি আমাদের প্রতিভাকে সঠিক দিশা দিতে পারবেন।”
২০২৬ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সেই ঐতিহাসিক Double Super Over ম্যাচে পরাজয় এবং গ্রুপ পর্ব থেকে হতাশাজনক বিদায়ের পর আফগান ক্রিকেটে পরিবর্তনের ডাক উঠেছিল। পাইবাস এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটের ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করার সময় ২০১৬ সালে ক্যারিবীয়দের তিনটি ভিন্ন ফরম্যাটে (পুরুষ, নারী ও অনূর্ধ্ব-১৯) বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে দেখেছিলেন। এই চ্যাম্পিয়ন মানসিকতা আফগান শিবিরে ইনজেক্ট করাই তার প্রধান চ্যালেঞ্জ। আফগানিস্তানের ক্রিকেট অবকাঠামো এবং খেলোয়াড়দের মনস্তত্ত্ব বোঝার ক্ষেত্রে পাইবাসের পূর্ব অভিজ্ঞতা একটি বড় সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।
জোনাথন ট্রটের বিদায় এবং আফগানিস্তানের বর্তমান পারফরম্যান্সের রসায়ন কী?
জোনাথন ট্রটের অধীনে আফগানিস্তান ক্রিকেট সোনালী কিছু সময় পার করেছে, বিশেষ করে ওয়ানডে বিশ্বকাপে বড় দলগুলোকে হারানো। তবে সাম্প্রতিক T20 World Cup 2026-এ প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে না পারা এবং বিশেষ করে ক্লোজ ম্যাচগুলোতে স্নায়ুর চাপ সামলাতে ব্যর্থ হওয়া ট্রটের বিদায়ে অনুঘটক হিসেবে কাজ করেছে। ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ট্রটের রক্ষণাত্মক কৌশলের চেয়ে পাইবাসের আক্রমণাত্মক ও আধুনিক ক্রিকেট দর্শন বর্তমান আফগান স্কোয়াডের জন্য বেশি কার্যকর হবে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ প্রকাশিত এসিবি-র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, ট্রটের চুক্তি নবায়ন না করে দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আফগানিস্তানের বর্তমান দলে রশিদ খান, রহমানুল্লাহ গুরবাজ এবং ফজলহক ফারুকির মতো বিশ্বখ্যাত তারকা থাকলেও দলগত সংহতিতে ঘাটতি পরিলক্ষিত হয়েছে। পাইবাসের মূল কাজ হবে এই ব্যক্তিগত প্রতিভাকে একটি শক্তিশালী টিমওয়ার্কে রূপান্তর করা। Reuters এর এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পাইবাসের কঠোর শৃঙ্খলা এবং ডেটা-চালিত কোচিং পদ্ধতি আফগান খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ এবং জাতীয় দলের দায়িত্বের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। ট্রটের বিদায়টি যতটা না পারফরম্যান্সের কারণে, তার চেয়ে বেশি ছিল ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে একটি নতুন পরিকাঠামো তৈরির তাগিদ থেকে।
এক নজরে আফগান ক্রিকেটের নতুন অধ্যায়
| বিষয় | তথ্য |
| নতুন প্রধান কোচ | রিচার্ড পাইবাস (ইংল্যান্ড) |
| পূর্বসূরি | জোনাথন ট্রট |
| নিয়োগের তারিখ | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
| প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট | শ্রীলঙ্কা সিরিজ (১৩ মার্চ থেকে) |
| উল্লেখযোগ্য সাফল্য | ১৯৯৯ বিশ্বকাপ রানার্স-আপ (পাকিস্তান কোচ), ২০১৬ বিশ্বকাপ জয়ী (উইন্ডিজ ডিরেক্টর) |
পাইবাসের অভিজ্ঞতা কি আফগান ক্রিকেটের ভাগ্য বদলে দিতে পারবে?
রিচার্ড পাইবাসের প্রোফাইল বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় তিনি একজন হাই-প্রোফাইল পারফরম্যান্স ডিরেক্টর হিসেবেও সফল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটে তার সময়কালে বোর্ড ও খেলোয়াড়দের মধ্যে অনেক তিক্ততা থাকলেও অন-ফিল্ড রেজাল্ট ছিল ঈর্ষণীয়। আফগানিস্তানেও তাকে একই ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে প্রতিভার অভাব নেই কিন্তু বোর্ড পলিটিক্স এবং পরিকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা বিদ্যমান। পাইবাসের অধীনে আফগান ক্রিকেটাররা টেকনিক্যাল উন্নতির পাশাপাশি মানসিকভাবে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ মহলে আলোচনা চলছে যে, পাইবাসের অন্তর্ভুক্তি আফগানিস্তানকে কেবল ‘জায়ান্ট কিলার’ নয়, বরং শিরোপা প্রত্যাশী দল হিসেবে গড়ে তুলবে।
পাইবাসের কোচিং ক্যারিয়ারে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাথেও সংক্ষিপ্ত সময় কাজ করেছেন, যা তাকে উপমহাদেশের ক্রিকেটের জটিল সমীকরণ বুঝতে সাহায্য করেছে। ESPNcricinfo এর তথ্য অনুযায়ী, পাইবাসের কোচিং স্টাইল মূলত ‘প্লেয়ার-সেন্ট্রিক’, যেখানে তিনি খেলোয়াড়দের স্বাধীনতা দিতে পছন্দ করেন। তবে আফগানিস্তানের মতো একটি আবেগপ্রবণ দলের সাথে তার কঠোর পেশাদারিত্ব কতটা খাপ খায়, সেটাই দেখার বিষয়। তার অধীনে আফগান বোলিং ইউনিট বিশেষ করে নতুন বলে উইকেট শিকারের হার বাড়াতে ফোকাস করবে, যা গত বিশ্বকাপে তাদের দুর্বলতা হিসেবে ধরা দিয়েছিল।
শ্রীলঙ্কা সফর কেন পাইবাসের জন্য অগ্নিপরীক্ষা?
আগামী ১৩ মার্চ থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা সফর পাইবাসের জন্য একটি ‘লিটমাস টেস্ট’। শ্রীলঙ্কার স্পিন বান্ধব উইকেটে আফগানিস্তানের শক্তি থাকলেও, তাদের ব্যাটারদের ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট। পাইবাসের প্রথম লক্ষ্য হবে মিডল অর্ডারের ব্যাটিং ধস রোধ করা। এই সিরিজে আফগানিস্তান তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলবে। লঙ্কান কন্ডিশনে পাইবাসের কৌশলগত সিদ্ধান্ত এবং একাদশ নির্বাচন তার কোচিং দর্শনের প্রাথমিক ধারণা দেবে। এসিবি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, তারা ২০২৭ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে একটি স্থায়ী কাঠামো চায়, যেখানে শ্রীলঙ্কা সিরিজ হবে প্রথম ধাপ।
এই সিরিজের মাধ্যমে পাইবাস দেখতে পাবেন কীভাবে তার পরিকল্পনাগুলো মাঠে বাস্তবায়িত হয়। জোনাথন ট্রটের রেখে যাওয়া ভিত্তিটাকে তিনি কীভাবে আরও মজবুত করেন, সেদিকেই তাকিয়ে আছে ক্রিকেট বিশ্ব। Goal.com এর মতো স্পোর্টস পোর্টালগুলোতেও পাইবাসের এই নতুন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, কারণ ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান বাজারে আফগানিস্তান এখন একটি বড় ব্র্যান্ড। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করতে পারলে তা খেলোয়াড়দের হারানো আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে, যা বিশ্বকাপ ব্যর্থতার পর অত্যন্ত জরুরি ছিল।
২০২৭ বিশ্বকাপ পরিকল্পনায় রিচার্ড পাইবাসের ভূমিকা কী হতে পারে?
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলো ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল বা তার চেয়েও বেশি কিছু অর্জন করা। পাইবাসকে মূলত এই রোডম্যাপ তৈরি করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তার চুক্তিতে বয়সভিত্তিক দলগুলোর সাথে সমন্বয় করার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। পাইবাসের অধীনে আফগানিস্তান তাদের বেন্চ স্ট্রেন্থ বাড়াতে মনোযোগী হবে, যাতে সিনিয়র খেলোয়াড়দের ইনজুরি বা ক্লান্তিতে দলের পারফরম্যান্সে প্রভাব না পড়ে। পাইবাস এর আগে বিভিন্ন হাই-পারফরম্যান্স সেন্টারে কাজ করার সুবাদে আফগান তরুণদের ঘষেমেজে তৈরি করতে পারবেন।
পাইবাসের কোচিং দর্শনে ফিটনেস এবং ফিল্ডিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আফগান ক্রিকেটাররা ঐতিহাসিকভাবে পাওয়ার হিটিং এবং স্পিনে দক্ষ হলেও ফিল্ডিং এবং রানিং বিটুইন দ্য উইকেটে পিছিয়ে রয়েছে। পাইবাসের নিয়োগের ফলে এই জায়গাগুলোতে আমূল পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বোর্ড আশা করছে যে, আগামী ১৮ মাসের মধ্যে আফগানিস্তান আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ের সেরা ছয়ে জায়গা করে নেবে। রিচার্ড পাইবাসের অভিজ্ঞতা এবং এসিবি-র নতুন পরিকাঠামো যদি সঠিক পথে এগোয়, তবে আফগানিস্তান বিশ্ব ক্রিকেটের পরবর্তী পরাশক্তি হওয়ার পথে বড় ধাপ এগিয়ে যাবে।
FAQ:
রিচার্ড পাইবাস কত বছরের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন?
এসিবি সাধারণত কোচেদের সাথে দুই বছরের প্রাথমিক চুক্তি করে, যা পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত বর্ধিত করার সুযোগ থাকে। পাইবাসের ক্ষেত্রেও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
পাইবাসের সাথে সহকারী কোচ হিসেবে কারা থাকছেন?
সহকারী কোচ হিসেবে বর্তমান দেশীয় কোচদের পাশাপাশি আরও একজন হাই-প্রোফাইল বিদেশি বোলিং কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। শীঘ্রই এই ঘোষণা আসবে।
জোনাথন ট্রট কেন বিদায় নিলেন?
জোনাথন ট্রটের চুক্তি ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর শেষ হয়ে গিয়েছিল। বিশ্বকাপ পারফরম্যান্স আশানুরূপ না হওয়ায় এবং নতুন দৃষ্টিভঙ্গির প্রয়োজনে বোর্ড চুক্তি নবায়ন না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
পাইবাসের প্রথম আন্তর্জাতিক সিরিজ কোনটি?
রিচার্ড পাইবাসের অভিষেক হবে ১৩ মার্চ, ২০২৬ থেকে শুরু হতে যাওয়া শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান সাদা বলের সিরিজের মাধ্যমে।
পাইবাসের কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা সাফল্য কী?
তার অন্যতম সেরা সাফল্য ১৯৯৯ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ফাইনালে নিয়ে যাওয়া এবং ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেট ডিরেক্টর হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা।
আফগান দলের প্রধান চ্যালেঞ্জ কী হবে?
প্রধান চ্যালেঞ্জ হবে বড় ইভেন্টগুলোতে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে চাপের মুখে ভুল না করে ম্যাচ জয় নিশ্চিত করা।
JitaBet , JitaWin , এবং JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন, তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!
উপসংহার:
আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড রিচার্ড পাইবাসকে নিয়োগ দিয়ে একটি সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পাইবাস এমন একজন কোচ যার ক্যারিয়ারের গ্রাফে যেমন বড় সাফল্য আছে, তেমনি রয়েছে নানা বিতর্ক। তবে আফগানিস্তানের মতো একটি উঠতি শক্তির জন্য এই মুহূর্তে একজন ‘রুটিন-মাষ্টার’ এবং অভিজ্ঞ ট্যাকটিশিয়ান অত্যন্ত জরুরি ছিল। জোনাথন ট্রট আফগান ক্রিকেটকে যে উচ্চতায় রেখে গেছেন, সেখান থেকে পাইবাসকে দলকে আরও উঁচুতে নিয়ে যেতে হবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আফগানিস্তান এখন একটি স্থিতিশীল এবং পেশাদার ক্রিকেটীয় সংস্কৃতির দিকে অগ্রসর হতে চায়।
পাইবাসের নিয়োগ কেবল একজন ব্যক্তি পরিবর্তন নয়, বরং এটি আফগান ক্রিকেটের দর্শনে পরিবর্তনের ইঙ্গিত। তার অধীনে রশিদ খানদের স্পিন শক্তির সাথে যদি কার্যকর ব্যাটিং লাইনআপ এবং ক্ষুরধার ফিল্ডিং যুক্ত হয়, তবে ২০২৭ বিশ্বকাপে আফগানিস্তান বড় কোনো অঘটন ঘটালে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। শ্রীলঙ্কা সফর হবে তার প্রথম পরীক্ষা, তবে আসল মূল্যায়ন হবে বড় টুর্নামেন্টগুলোতে দলের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে। আফগান সমর্থকরা আশা করছেন, পাইবাসের হাত ধরে তাদের প্রিয় দল ক্রিকেটের শীর্ষ স্তরে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করবে। ক্রিকেট বিশ্ব এখন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে পাইবাসের জাদুর স্পর্শে আফগান আটালানদের নতুন রূপ দেখার জন্য।
For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News






