শিরোনাম

অ্যাশেজে স্মিথ-হেডের সেঞ্চুরির রেকর্ড: সিডনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার জয়জয়কার

Table of Contents

অ্যাশেজে স্মিথ সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে ট্রাভিস হেড এবং স্টিভেন স্মিথের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে অস্ট্রেলিয়া এখন রানের পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করছে। ইংল্যান্ডের ৩৮৪ রান টপকে স্বাগতিকরা ১৩৪ রানের লিড নিয়েছে, যেখানে স্মিথের ৩৭তম সেঞ্চুরি এবং হেডের ১২তম শতক সফরকারীদের সিরিজ হোয়াইটওয়াশের মুখে ঠেলে দিয়েছে। ঐতিহাসিক এই জুটির মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া অ্যাশেজ ইতিহাসে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটির রেকর্ড স্পর্শ করার দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে আছে।

কেন ট্রাভিস হেডের ব্যাটিং তাণ্ডব ইংল্যান্ডকে ছিটকে দিল?

ট্রাভিস হেড সিডনির বাইশ গজে আজ যে ব্যাটিং শৈলী প্রদর্শন করেছেন, তা আধুনিক টেস্ট ক্রিকেটের এক আক্রমণাত্মক বিজ্ঞাপন হয়ে থাকবে। তিনি মাত্র ১০৫ বলে তার ক্যারিয়ারের ১২তম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন এবং শেষ পর্যন্ত ১৬৬ বলে ১৬৩ রানের এক বিশাল ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ২৪টি চার ও ১টি বিশাল ছক্কা, যা ইংল্যান্ডের বোলারদের লাইন এবং লেংথ সম্পূর্ণ এলোমেলো করে দেয়। BBC Sport-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, হেডের এই ইনিংসটি অ্যাশেজ ইতিহাসের চতুর্থ দ্রুততম ১৫০ রানের রেকর্ড হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। এই আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের ফলেই অস্ট্রেলিয়া প্রথম সেশনে তাদের আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হয় এবং রানের গতি দ্রুত বাড়িয়ে লিড নিতে শুরু করে।

হেডের এই ইনিংসের সবচেয়ে বড় দিক ছিল তার স্ট্রাইক রেট, যা ইংল্যান্ডের তথাকথিত ‘বাজবল’ কৌশলকেই যেন পালটা জবাব দিচ্ছিল। তার ১৫০ রান পূর্ণ হয়েছিল মাত্র ১৫২ বলে, যা সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডের ইতিহাসে অন্যতম বিধ্বংসী ইনিংস। লাঞ্চের কিছুক্ষণ পর আউট হলেও, তিনি ততক্ষণে ইংল্যান্ডের বোলারদের মনোবল ভেঙে দিয়েছিলেন। বেন স্টোকস এবং তার দল কোনোভাবেই হেডের অফ-সাইডের স্ট্রোকগুলো আটকাতে পারছিল না। এই অসাধারণ সেঞ্চুরিটি কেবল রান বৃদ্ধিতেই নয়, বরং মানসিকভাবে ইংল্যান্ডকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিতে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে।

স্টিভেন স্মিথের ৩৭তম সেঞ্চুরি কি তাকে সর্বকালের সেরাদের কাতারে নিয়ে গেল?

স্টিভেন স্মিথ আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকে বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম সেরা টেস্ট ব্যাটার বলা হয়। সিডনিতে আজ তিনি তার ৩৭তম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন, যা তাকে ডন ব্র্যাডম্যানের পর অ্যাশেজে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির মালিক বানিয়েছে। ১২৯ রানে অপরাজিত থাকা স্মিথ আজ সিডনির মাঠে তার পঞ্চম সেঞ্চুরি উদযাপন করেন। Reuters-এর ক্রিকেট বিশ্লেষণে উঠে এসেছে যে, স্মিথের এই ধারাবাহিকতা তাকে অ্যাশেজ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের মর্যাদায় বসিয়েছে। তার ব্যাটিংয়ের ধরন ছিল ধৈর্যশীল এবং কৌশলগতভাবে নিখুঁত, যা তরুণ ব্যাটারদের জন্য একটি পাঠ্যবইয়ের মতো ছিল।

স্মিথের ইনিংসটি ছিল মূলত দলের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করার জন্য। যখন ট্রাভিস হেড আক্রমণাত্মক খেলছিলেন, স্মিথ তখন অন্য প্রান্ত আগলে রেখে স্কোরবোর্ড সচল রেখেছিলেন। তিনি ক্যামেরন গ্রিনের সাথে ৭১ রানের এবং দিন শেষে বাউ ওয়েবস্টারের সাথে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে লিডের শিখরে নিয়ে যান। ৩৭ বছর বয়সেও স্মিথের ফিটনেস এবং রানের ক্ষুধা দেখে মনে হচ্ছে তিনি আরও দীর্ঘ সময় অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের স্তম্ভ হয়ে থাকবেন। এই সেঞ্চুরির মাধ্যমে তিনি কেবল ইংল্যান্ডের কফিনেই শেষ পেরেক ঠুকেননি, বরং ব্যক্তিগত রেকর্ডের এক নতুন উচ্চতায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

এক নজরে সিডনি টেস্ট (তৃতীয় দিন শেষে)

ক্যাটাগরিতথ্য/পরিসংখ্যান
অস্ট্রেলিয়ার স্কোর৫১৮/৭ (১৩৪ রানে এগিয়ে)
ট্রাভিস হেডের রান১৬৩ (১৬৬ বল, ২৪ চার, ১ ছক্কা)
স্টিভেন স্মিথের রান১২৯* (অপরাজিত ৩৭তম সেঞ্চুরি)
রেকর্ড জুটি৭টি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি (অ্যাশেজ রেকর্ড)
ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংস৩৮৪ রান

জুটির রেকর্ড কি বিশ্বরেকর্ড ভাঙার পথে?

অস্ট্রেলিয়া এই ইনিংসে এখন পর্যন্ত মোট ৭টি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়েছে, যা অ্যাশেজের ইতিহাসে এক অনন্য নজির। এর আগে ছয়টি ভিন্ন ইনিংসে ছয়টি করে পঞ্চাশের জুটি ছিল, যা এবার টপকে গেল অজিরা। ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ভারতের করা ৮টি পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটির যে বিশ্বরেকর্ড রয়েছে, অস্ট্রেলিয়া এখন তা স্পর্শ করার ঠিক এক ধাপ দূরে দাঁড়িয়ে আছে। ESPNcricinfo-এর স্ট্যাটস পোর্টালে দেখা যায়, বাউ ওয়েবস্টার এবং স্টিভেন স্মিথ যদি আর কিছু রান যোগ করতে পারেন, তবে এই রেকর্ডটি অস্ট্রেলিয়ার দখলে চলে আসবে। এটি দলের ব্যাটিং গভীরতা এবং সামগ্রিক টিমওয়ার্কের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

ম্যাচের এই পর্যায়ে এসে অস্ট্রেলিয়ার লোয়ার মিডল অর্ডারের ব্যাটাররাও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স প্রদর্শন করছেন। বিশেষ করে নাইটওয়াচম্যান মাইকেল নেসারের ২৪ রান এবং ক্যামেরন গ্রিনের ৩৭ রান দলকে ৫০০ রানের মাইলফলক পার করতে সাহায্য করেছে। ইংল্যান্ডের বোলাররা বারবার উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করলেও, অজি ব্যাটাররা নিয়মিতভাবে ছোট ছোট এবং কার্যকর জুটি গড়েছেন। এই জুটিগুলোর কারণেই ইংল্যান্ডের বোলাররা সারাদিন মাঠে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন এবং কোনো বড় ব্রেকথ্রু তৈরি করতে পারেননি। সিডনির পিচে এই ব্যাটিং আধিপত্য চতুর্থ দিনে ইংল্যান্ডের জন্য এক ভয়াবহ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।

উসমান খাজার বিদায়ী টেস্ট কি বিষাদে পরিণত হলো?

সিডনি টেস্টটি ছিল অভিজ্ঞ ওপেনার উসমান খাজার জন্য একটি আবেগের মুহূর্ত, কারণ এটি ছিল তার ক্যারিয়ারের বিদায়ী ম্যাচ। তবে দুর্ভাগ্যবশত, তিনি তার শেষ ইনিংসে মাত্র ১৭ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ব্রাইডন কারসের একটি লো ফুল টস বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার পর তিনি রিভিউ নিয়েও নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি। গ্যালারিভর্তি দর্শক তাকে দাঁড়িয়ে সম্মান জানালেও, ব্যাটের রান দিয়ে তিনি দিনটি স্মরণীয় করতে ব্যর্থ হন। খাজার এই বিদায় কিছুটা ম্লান হলেও, দলের বিশাল সংগ্রহ তাকে স্বস্তি দেবে।

বিদায়ী ম্যাচে খাজার এই ব্যর্থতা সত্ত্বেও তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অবদান অনস্বীকার্য। সিডনির মাঠে তার অনেক স্মৃতি রয়েছে, যা আজ দর্শকরা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছেন। তবে খাজা আউট হওয়ার পর দলের ওপর যে চাপের সৃষ্টি হওয়ার কথা ছিল, তা স্টিভেন স্মিথ দক্ষতার সাথে সামাল দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট বোর্ড এবং তার সতীর্থরা খাজার অবসরে তাকে রাজকীয় বিদায় দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, যা চতুর্থ দিনে ম্যাচের ফলাফলের সাথে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে।

চতুর্থ দিনে ইংল্যান্ডের প্রত্যাবর্তনের কি কোনো সুযোগ আছে?

চতুর্থ দিনে ইংল্যান্ডের সামনে এখন হিমালয়সম লক্ষ্য। ১৩৪ রানে পিছিয়ে থাকা অবস্থায় ইংল্যান্ডকে প্রথমে অস্ট্রেলিয়ার শেষ তিনটি উইকেট দ্রুত তুলে নিতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার লিড যদি ২০০ ছাড়িয়ে যায়, তবে ইংল্যান্ডের জন্য দ্বিতীয় ইনিংসে টিকে থাকা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে। The Guardian-এর স্পোর্টস কলামে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সিডনির চতুর্থ দিনের টার্ন এবং বাউন্স ইংল্যান্ডের ব্যাটারদের জন্য হবে এক অগ্নিপরীক্ষা। বিশেষ করে নাথান লায়নের স্পিন আক্রমণ সামলানো বেন স্টোকসদের জন্য বড় মাথাব্যথার কারণ হবে।

ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণে ব্রাইডন কারস এবং রেহান আহমেদ চেষ্টা করলেও তা যথেষ্ঠ ছিল না। তারা অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন তাদের একমাত্র আশা হলো দ্বিতীয় ইনিংসে অবিশ্বাস্য কোনো ব্যাটিং পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ম্যাচটি ড্র করা। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান ফর্ম এবং সিডনির উইকেট যেদিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে, তাতে ইংল্যান্ডের জন্য পরাজয় এড়ানো এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। প্যাট কামিন্সের নেতৃত্বাধীন বোলিং আক্রমণ ইংল্যান্ডের ভঙ্গুর টপ অর্ডারকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য মুখিয়ে আছে।

FAQ:

১. স্টিভেন স্মিথ কি অ্যাশেজে ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড ভাঙতে পারবেন?

স্টিভেন স্মিথ বর্তমানে অ্যাশেজে ১৩টি সেঞ্চুরি করেছেন, যেখানে স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড ১৯টি। সেঞ্চুরির সংখ্যায় পিছিয়ে থাকলেও, স্মিথ মোট রানের দিক থেকে ব্র্যাডম্যানের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন এবং বর্তমানে তিনি অ্যাশেজের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক।

২. ট্রাভিস হেডের ১৬৩ রানের ইনিংসটি কেন বিশেষ?

এটি অ্যাশেজ ইতিহাসে চতুর্থ দ্রুততম ১৫০ রানের ইনিংস। হেড মাত্র ১০৫ বলে সেঞ্চুরি এবং ১৫২ বলে দেড়শ রান পূর্ণ করেছেন, যা ইংল্যান্ডের বোলারদের সম্পূর্ণ অপ্রস্তুত করে দিয়েছিল।

৩. অস্ট্রেলিয়া কি সিডনিতে নতুন কোনো বিশ্বরেকর্ড করেছে?

অস্ট্রেলিয়া এক ইনিংসে ৭টি পঞ্চাশোর্ধ্ব রানের জুটি গড়ে অ্যাশেজ রেকর্ড করেছে। তারা এখন ভারতের করা ৮টি জুটির বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করার অপেক্ষায় আছে, যা ২০০৭ সালে হয়েছিল।

৪. উসমান খাজা কি আর ব্যাটিং করার সুযোগ পাবেন?

সিডনি টেস্টটি খাজার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। অস্ট্রেলিয়া যদি দ্বিতীয়বার ব্যাটিং করার প্রয়োজন না বোধ করে (যদি তারা ইনিংস ব্যবধানে জেতে বা ড্র হয়), তবে ১৭ রানই হবে তার ক্যারিয়ারের শেষ ইনিংস।

৫. ইংল্যান্ডের বোলারদের মধ্যে কে সবচেয়ে সফল ছিলেন?

তৃতীয় দিন শেষে ইংল্যান্ডের বোলিং ছিল বেশ নড়বড়ে। তবে ব্রাইডন কারস কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্রেকথ্রু দিলেও রানের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি। তাদের মূল বোলাররা স্মিথ ও হেডের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ব্যর্থ হয়েছেন।

JitaBet ,  JitaWin , এবং  JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন,   তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!

উপসংহার:

সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিন শেষে এটি স্পষ্ট যে, অস্ট্রেলিয়া কেবল ম্যাচ নয় বরং পুরো সিরিজে তাদের শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। ট্রাভিস হেড এর বিধ্বংসী ১৬৩ এবং স্টিভেন স্মিথ এর অপরাজিত ১২৯ রান ইংল্যান্ডের বোলিং লাইনআপের কঙ্কাল বের করে দিয়েছে। ৫১৮ রানের বিশাল পাহাড় ইংল্যান্ডের ওপর যে মানসিক চাপ তৈরি করেছে, তা কাটিয়ে ওঠা বর্তমানে প্রায় অসম্ভব। বিশেষ করে অ্যাশেজ সিরিজের প্রেক্ষাপটে যখন একটি দল হোয়াইটওয়াশের সামনে থাকে, তখন তাদের আত্মবিশ্বাস তলানিতে গিয়ে ঠেকে। স্মিথের ৩৭তম সেঞ্চুরি কেবল তার ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটীয় ঐতিহ্যের এক ধারাবাহিকতা।

আগামীকাল অর্থাৎ চতুর্থ দিনে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম লক্ষ্য হবে ভারতের গড়া ৮টি পঞ্চাশোর্ধ্ব জুটির বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করা। বাউ ওয়েবস্টার যদি আর কিছুক্ষণ স্মিথকে সঙ্গ দিতে পারেন, তবে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড এক নতুন ইতিহাসের সাক্ষী হবে। অন্যদিকে, ইংল্যান্ডকে বাঁচতে হলে অতিমানবীয় কিছু করতে হবে। জেমস অ্যান্ডারসন বা মার্ক উডদের বোলিংয়ে যে ধার দেখা যাওয়ার কথা ছিল, তা এই সিরিজে অনুপস্থিত। অস্ট্রেলিয়ার এই আধিপত্য প্রমাণ করে যে, ঘরের মাঠে তারা কতটা অপ্রতিরোধ্য। উসমান খাজার বিদায় বেলাটি হয়তো ব্যাটে-বলে রাঙানো হয়নি, কিন্তু দলের এই রাজকীয় পারফরম্যান্স তাকে একটি স্মরণীয় বিদায়ী উপহার দেওয়ার পথে রয়েছে। সব মিলিয়ে, সিডনি টেস্ট এখন অস্ট্রেলিয়ার মুঠোয় এবং চতুর্থ দিনেই হয়তো ইংল্যান্ডের পরাজয়ের চূড়ান্ত খতিয়ান লেখা হয়ে যাবে।

For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News