শিরোনাম

অ্যাশেজে স্টিভ স্মিথের ইতিহাস: জ্যাক হবসকে টপকে এখন শুধুই ব্র্যাডম্যানের পেছনে

Table of Contents

অ্যাশেজে স্টিভ সিডনি টেস্টে সেঞ্চুরি করে জ্যাক হবসকে ছাড়িয়ে অ্যাশেজের দ্বিতীয় সেরা ব্যাটার হলেন স্টিভ স্মিথ। এখন তার সামনে কেবল ডন ব্র্যাডম্যান। পড়ুন বিস্তারিত বিশ্লেষণ। অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটিং সেনসেশন স্টিভ স্মিথ সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (SCG) চলমান অ্যাশেজ সিরিজে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। ইংল্যান্ডের কিংবদন্তি ব্যাটার স্যার জ্যাক হবসকে টপকে তিনি এখন অ্যাশেজ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সেঞ্চুরিয়ান। বর্তমান ফর্মে স্মিথ যেভাবে এগোচ্ছেন, তাতে তার সামনে এখন লক্ষ্য কেবল ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকা মহাতারকা স্যার ডন ব্র্যাডম্যান

স্টিভ স্মিথ কীভাবে জ্যাক হবসের ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে দিলেন?

সিডনি টেস্টের তৃতীয় দিনে স্মিথ যখন তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা ইনিংসটি খেলছিলেন, তখন পুরো ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে ছিল তার রেকর্ডের দিকে। ব্যক্তিগত ৮৪ রান ছোঁয়ার সাথে সাথেই তিনি স্যার জ্যাক হবসের ৩,৬৩৬ রানের মাইলফলক অতিক্রম করেন। এটি কেবল একটি সংখ্যার পরিবর্তন নয়, বরং আধুনিক ক্রিকেটে স্মিথের শ্রেষ্ঠত্বের এক অকাট্য প্রমাণ। ESPNcricinfo-এর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, স্মিথ এখন ৪১ ম্যাচে ৭৩ ইনিংসে ৩,৬৫৩ রানের মালিক, যেখানে হবসের লেগেছিল ৭১ ইনিংস। স্মিথের এই ধারাবাহিকতা তাকে বর্তমান প্রজন্মের ‘মডার্ন ডে ডন’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

স্মিথের এই সেঞ্চুরিটি ছিল অ্যাশেজে তার ১৩তম শতক, যা তাকে হবসের ১২টি সেঞ্চুরির রেকর্ড থেকেও এগিয়ে নিয়েছে। সিডনির পিচে যেখানে অন্য ব্যাটাররা হিমশিম খাচ্ছিলেন, সেখানে স্মিথের পায়ের কাজ এবং কবজির মোচড় ছিল দেখার মতো। অ্যাশেজের মতো হাই-ভোল্টেজ সিরিজে যেখানে মানসিক চাপ তুঙ্গে থাকে, সেখানে স্মিথ বরাবরের মতোই শান্ত থেকে নিজের ইনিংস সাজিয়েছেন। তার এই অর্জনের পর সিডনির গ্যালারি দাঁড়িয়ে তাকে অভিবাদন জানায়, যা ছিল এক আবেগঘন মুহূর্ত। এই ইনিংসটি প্রমান করে কেন তাকে বর্তমান সময়ের সেরা টেস্ট ব্যাটার বলা হয়।

অ্যাশেজ পরিসংখ্যানে ডন ব্র্যাডম্যান কি আসলেই অপরাজিত থাকবেন?

জ্যাক হবসকে টপকে গেলেও স্মিথের সামনে এখন যে পাহাড় দাঁড়িয়ে আছে, তার নাম স্যার ডন ব্র্যাডম্যান। পরিসংখ্যানে ব্র্যাডম্যান এতটাই উপরে যে, স্মিথের পক্ষে তাকে ছোঁয়া প্রায় অসম্ভব বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ব্র্যাডম্যান ৩৭ ম্যাচে অবিশ্বাস্য ৮৯.৭৮ গড়ে ৫,০২৮ রান করেছিলেন, যার মধ্যে ছিল ১৯টি সেঞ্চুরি। BBC Sport-এর এক বিশ্লেষণে দেখা যায়, স্মিথ এখন পর্যন্ত ৩,৬৫৩ রানে আছেন, অর্থাৎ ব্র্যাডম্যানকে ধরতে তাকে আরও প্রায় ১,৩৭৫ রান করতে হবে। ৩৬ বছর বয়সী স্মিথের জন্য ক্যারিয়ারের এই সায়াহ্নে এসে এত রান করা এক বিশাল চ্যালেঞ্জ।

তবে ব্র্যাডম্যানের সেই রেকর্ড ভাঙতে না পারলেও স্মিথ নিজেকে এমন এক জায়গায় নিয়ে গেছেন যেখানে অন্য কোনো সমসাময়িক ব্যাটার পৌঁছাতে পারেননি। ব্র্যাডম্যানের ১৯টি সেঞ্চুরির রেকর্ডটি অক্ষুণ্ণ থাকার সম্ভাবনা প্রবল হলেও, স্মিথের ১৩টি সেঞ্চুরি তাকে সর্বকালের সেরাদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে মজবুতভাবে বসিয়ে দিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের মতে, “স্মিথ যা করছেন তা অলৌকিক, ব্র্যাডম্যানের পর অস্ট্রেলিয়া এমন আর কাউকে দেখেনি।” এই পরিসংখ্যানই বলে দেয় যে, ব্র্যাডম্যানকে টপকাতে না পারলেও স্মিথ নিজের একটি আলাদা সাম্রাজ্য তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন।

একনজরে অ্যাশেজে স্টিভ ইতিহাসের শীর্ষ তিন ব্যাটার

ব্যাটারের নামম্যাচইনিংসমোট রানসেঞ্চুরিগড়
স্যার ডন ব্র্যাডম্যান৩৭৬৩৫,০২৮১৯৮৯.৭৮
স্টিভ স্মিথ৪১৭৩৩,৬৫৩১৩৫৮.২০+
স্যার জ্যাক হবস৪১৭১৩,৬৩৬১২৫৪.২৬

সিডনি টেস্টে স্মিথের এই সেঞ্চুরি অজিদের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল?

চলতি অ্যাশেজে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য বজায় রাখতে স্মিথের এই সেঞ্চুরিটি ছিল অক্সিজেনের মতো। সিডনি টেস্টের প্রথম ইনিংসে যখন দ্রুত উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছিল অস্ট্রেলিয়া, তখন অধিনায়ক হিসেবে স্মিথ সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তার দায়িত্বশীল ব্যাটিং কেবল ব্যক্তিগত রেকর্ডই গড়েনি, বরং দলকে একটি শক্ত অবস্থানে পৌঁছে দিয়েছে। Reuters-এর ম্যাচ রিপোর্টে জানানো হয়েছে, স্মিথের এই ইনিংসের ওপর ভর করেই অস্ট্রেলিয়া বড় লিড নেওয়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছে, যা সিরিজ জয়ের ক্ষেত্রে অত্যন্ত নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে।

স্মিথের এই ব্যাটিং প্রদর্শনী ইংল্যান্ডের বোলারদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে দিয়েছে। জেমস অ্যান্ডারসন বা স্টুয়ার্ট ব্রডদের মতো অভিজ্ঞ বোলাররাও স্মিথের টেকনিকের কোনো উত্তর খুঁজে পাচ্ছিলেন না। মাঠের চারপাশে তার শট খেলার ক্ষমতা এবং ধৈর্যের পরীক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা তাকে অনন্য করে তুলেছে। এই সেঞ্চুরিটি স্মিথের আত্মবিশ্বাসকে যেমন তুঙ্গে নিয়ে গেছে, তেমনি ড্রেসিংরুমে সতীর্থদের মধ্যেও ইতিবাচক শক্তির সঞ্চার করেছে। সিরিজের ভাগ্য নির্ধারণী ম্যাচে এমন একটি ‘ক্যাপ্টেনস নক’ চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

স্মিথের এই সাফল্যের পেছনে টেকনিক্যাল কারণগুলো কী কী?

অনেকেই স্মিথের ব্যাটিং স্টাইলকে ‘আনঅর্থোডক্স’ বা অপ্রথাগত বলে থাকেন, কিন্তু এই স্টাইলই তাকে সফল করেছে। তার উইকেটের চারদিকে নড়াচড়া করা (Shuffle) বোলারদের লাইন এবং লেংথ এলোমেলো করে দেয়। সিডনিতে তিনি যেভাবে অফ-স্টাম্পের বাইরের বলগুলোকে ছেড়েছেন এবং প্যাড লাইনের বলগুলোকে ফ্লিক করেছেন, তা ছিল মাস্টারক্লাস। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি একটি প্রেস কনফারেন্সে বলেন, “স্মিথ জানে কখন গিয়ার পরিবর্তন করতে হয়, তার খেলার রিডিং ক্ষমতা অসাধারণ।” এই টেকনিক্যাল শ্রেষ্ঠত্বই তাকে জ্যাক হবসের মতো ধ্রুপদী ব্যাটারদের চেয়ে এগিয়ে দিয়েছে।

এছাড়া স্মিথের হ্যান্ড-আই কোঅর্ডিনেশন এবং শট সিলেকশন তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। সিডনির স্পিন-বান্ধব উইকেটে তিনি যেভাবে পায়ের ব্যবহার করেছেন, তা ছিল শিক্ষণীয়। জ্যাক হবস যখন খেলতেন, তখন ক্রিকেট ছিল অনেক বেশি ধীরগতির, কিন্তু স্মিথকে বর্তমান যুগের দ্রুতগতির বোলার এবং আধুনিক ফিল্ড সেটআপের বিরুদ্ধে রান করতে হয়। এই প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রায় ৬০-এর কাছাকাছি গড়ে রান করা একজন ব্যাটারের পক্ষে তখনই সম্ভব, যখন তার মানসিক দৃঢ়তা হিমালয়ের মতো অটল থাকে। স্মিথের প্রতিটি রান তার পরিশ্রম এবং সাধনার ফসল।

ভবিষ্যতে কি স্মিথ পারবেন ব্র্যাডম্যানের ৫ হাজার রানের রেকর্ড ছুঁতে?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের স্মিথের বয়স এবং ফিটনেসের দিকে তাকাতে হবে। বর্তমানে তার বয়স ৩৬ বছর, এবং একজন ব্যাটার হিসেবে তিনি ক্যারিয়ারের শেষ লগ্নে অবস্থান করছেন। ব্র্যাডম্যানের ৫,০২৮ রান ছুঁতে স্মিথের আরও অন্তত ২০ থেকে ২৫টি টেস্ট ইনিংস প্রয়োজন, যা আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে সম্ভব কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। The Guardian-এর ক্রীড়া কলামে বলা হয়েছে, স্মিথের শরীর এবং মানসিক অবস্থা যদি সায় দেয়, তবে তিনি হয়তো ৪,৫০০ রানের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেন, কিন্তু ৫ হাজার রান করাটা হবে এক অলৌকিক ঘটনা।

তবে ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা এবং স্টিভ স্মিথ এমন একজন মানুষ যিনি অসম্ভবকে সম্ভব করতে ভালোবাসেন। তার সেঞ্চুরির ক্ষুধা এখনো কমেনি, যা সিডনির ইনিংসেই স্পষ্ট। যদি তিনি পরবর্তী অ্যাশেজ সিরিজ পর্যন্ত নিজের ফর্ম ধরে রাখতে পারেন, তবে হয়তো ব্র্যাডম্যানের রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছানোর একটি সুযোগ তৈরি হবে। তবে রেকর্ড যাই হোক না কেন, জ্যাক হবসকে টপকে যাওয়ার মাধ্যমেই স্মিথ নিজেকে ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লিখে ফেলেছেন। এখন থেকে অ্যাশেজ মানেই যেমন ব্র্যাডম্যান, তেমনি আধুনিক যুগে অ্যাশেজ মানেই স্টিভ স্মিথ।

FAQ:

১. স্টিভ স্মিথ কি অ্যাশেজে সর্বোচ্চ রানের মালিক?

না, স্টিভ স্মিথ বর্তমানে অ্যাশেজ ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রানের মালিক। প্রথম স্থানে রয়েছেন স্যার ডন ব্র্যাডম্যান, যার সংগ্রহ ৫,০২৮ রান। স্মিথ ৩,৬৫৩ রান করে জ্যাক হবসকে (৩,৬৩৬ রান) টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন।

২. স্মিথ কতটি সেঞ্চুরি করে জ্যাক হবসকে ছাড়িয়ে গেছেন?

স্টিভ স্মিথ সিডনি টেস্টে তার ১৩তম অ্যাশেজ সেঞ্চুরি করে জ্যাক হবসকে ছাড়িয়ে গেছেন। হবসের সেঞ্চুরি সংখ্যা ছিল ১২টি। এই তালিকায় ১৯টি সেঞ্চুরি নিয়ে শীর্ষে আছেন ডন ব্র্যাডম্যান।

৩. স্মিথের এই রেকর্ড গড়তে কতটি ম্যাচ লেগেছে?

স্মিথ তার ৪১তম অ্যাশেজ ম্যাচে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন। তিনি এখন পর্যন্ত ৭৩টি ইনিংসে ব্যাটিং করেছেন। মজার বিষয় হলো, জ্যাক হবসও ৪১টি ম্যাচ খেলেছিলেন, তবে তার ইনিংস সংখ্যা ছিল ৭১টি।

৪. স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের রেকর্ড কি ভাঙা সম্ভব?

গাণিতিকভাবে সম্ভব হলেও বাস্তবে এটি অত্যন্ত কঠিন। স্মিথকে ব্র্যাডম্যানকে ছাড়াতে হলে আরও প্রায় ১,৩৭৫ রান করতে হবে। বর্তমান বয়স এবং ক্যারিয়ারের সময়কাল বিবেচনায় এটি প্রায় অসম্ভব একটি লক্ষ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৫. সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে স্মিথের পারফরম্যান্স কেমন?

সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ড (SCG) স্মিথের অন্যতম প্রিয় মাঠ। এখানে তার গড় রান প্রায় ৭০-এর উপরে। এই মাঠে তিনি একাধিক সেঞ্চুরি করেছেন এবং প্রায় প্রতিবারই বড় ইনিংস খেলেছেন।

JitaBet ,  JitaWin , এবং  JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন,   তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!

উপসংহার:

স্টিভ স্মিথের সিডনি টেস্টের এই মহাকাব্যিক ইনিংসটি কেবল একটি সেঞ্চুরি নয়, এটি ক্রিকেট ইতিহাসের একটি বাঁকবদল। স্যার জ্যাক হবসের মতো একজন কিংবদন্তিকে টপকে যাওয়া কোনো সাধারণ কৃতিত্ব নয়। হবস ছিলেন ক্রিকেটের আদি যুগের সম্রাট, যার টেকনিক এবং রানের পাহাড় কয়েক দশক ধরে অভেদ্য ছিল। স্মিথ সেই দেয়াল ভেঙে নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যেখানে বর্তমান প্রজন্মের অন্য কোনো ব্যাটার নেই। জো রুট বা কেন উইলিয়ামসনদের সাথে তার লড়াই চললেও, অ্যাশেজের আঙিনায় স্মিথ এখন একমেবাদ্বিতীয়ম। তার এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে বছরের পর বছর ধরে করা কঠোর পরিশ্রম, অদম্য ধৈর্য এবং ক্রিকেটের প্রতি অগাধ ভালোবাসার মাধ্যমে।

স্মিথের ব্যাটিংয়ের দিকে তাকালে দেখা যায়, তিনি প্রতিটি বলকে নতুন করে বিচার করেন। তার মধ্যে যে রানের ক্ষুধা, তা ব্র্যাডম্যানের কথা মনে করিয়ে দেয়। ব্র্যাডম্যানের ১৯টি সেঞ্চুরি বা ৫ হাজার রানের রেকর্ড হয়তো কোনোদিন ভাঙবে না, কিন্তু স্মিথ যেভাবে এগোচ্ছেন তাতে তিনি নিজের জন্য এমন একটি মানদণ্ড সেট করছেন যা আগামী ১০০ বছরেও কেউ স্পর্শ করতে পারবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে, আধুনিক ক্রিকেটের পাওয়ার হিটিংয়ের যুগেও ক্লাসিক্যাল টেস্ট ব্যাটিং এবং উইকেটে টিকে থাকার লড়াই কতটা নান্দনিক হতে পারে।

পরিশেষে বলা যায়, স্টিভ স্মিথ এখন কেবল একজন ক্রিকেটার নন, তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছেন। জ্যাক হবসকে ছাড়িয়ে যাওয়া তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন হিসেবে বিবেচিত হবে। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে তিনি ডন ব্র্যাডম্যানের পর শ্রেষ্ঠত্বের মুকুটটি নিজের মাথায় পরে নিয়েছেন। সিডনি টেস্টে তার এই সেঞ্চুরিটি ক্রিকেট ভক্তদের মনে চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। এখন বিশ্ব ক্রিকেটের অপেক্ষা কেবল একটিই—স্মিথ কি পারবেন ব্র্যাডম্যানের সেই ‘অজেয়’ রেকর্ডের কাছাকাছি পৌঁছাতে? উত্তরটি সময়ের হাতে তোলা থাকলেও, স্মিথ যে ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে গেছেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News