ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর টিকিট ক্রেতাদের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার একটি বিশেষ অগ্রাধিকার ভিত্তিক ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে FIFA PASS। এই প্রকল্পের অধীনে, যেসব আন্তর্জাতিক ফুটবল ভক্তের কাছে বৈধ ম্যাচ টিকিট রয়েছে, তারা মার্কিন দূতাবাসগুলোতে ভিসার ইন্টারভিউয়ের জন্য দ্রুত এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তারিখ পাবেন। ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হওয়া এই উদ্যোগটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ভিসার দীর্ঘ অপেক্ষমাণ সময় কমিয়ে দর্শকদের সময়মতো টুর্নামেন্টে যোগদান নিশ্চিত করার জন্য নেওয়া হয়েছে।ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর টিকিট থাকলেই মার্কিন ভিসায় অগ্রাধিকার! চালু হলো ‘FIFA PASS’। কীভাবে আবেদন করবেন এবং শর্তাবলি কী কী, বিস্তারিত জানুন এই প্রতিবেদনে।
FIFA PASS’ সিস্টেমটি আসলে কী এবং কেন এটি চালু করা হলো?
FIFA Priority Appointment Scheduling System (FIFA PASS) হলো একটি বিশেষ প্রযুক্তিগত কাঠামো যা ফিফা এবং মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো ২০২৬ সালের ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের ১০৪টি ম্যাচ দেখার জন্য আসা লাখ লাখ আন্তর্জাতিক দর্শককে দ্রুত ভিসা সুবিধা দেওয়া। টাইমস অফ ইন্ডিয়া-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সরকার এই কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত ৪০০ থেকে ৫০০ জন কনস্যুলার অফিসার নিয়োগ করেছে যাতে ৮০ শতাংশেরও বেশি দেশে ভিসার অপেক্ষমাণ সময় ৬০ দিনের নিচে নামিয়ে আনা যায়।
এই ব্যবস্থাটি মূলত তাদের জন্য যারা Visa Waiver Program (VWP)-এর আওতাভুক্ত নন এবং যাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য B1/B2 ভিজিটর ভিসা প্রয়োজন হয়। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, এটি বিশ্বকাপকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে। তবে মনে রাখতে হবে, এটি কেবল ইন্টারভিউয়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট দ্রুত করার একটি প্রক্রিয়া মাত্র। টিকিট থাকা মানেই ভিসার নিশ্চয়তা নয়; প্রতিটি আবেদনকারীকে প্রচলিত নিরাপত্তা স্ক্রিনিং এবং যোগ্যতার প্রমাণের মধ্য দিয়েই যেতে হবে।
কীভাবে ফুটবল ভক্তরা এই বিশেষ ভিসা সুবিধার জন্য আবেদন করবেন?
আবেদন প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং এটি শুরু হয় ফিফার অফিসিয়াল টিকিটিং প্ল্যাটফর্ম থেকে। টিকিট ক্রেতাদের প্রথমে তাদের FIFA.com অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে এবং সেখানে থাকা FIFA PASS Opt-in ফর্মটি পূরণ করতে হবে। এরপর মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত ভিসা আবেদন পোর্টাল (DS-160) ব্যবহার করে আবেদন জমা দিতে হবে। দ্য ইকোনমিক টাইমস-এর তথ্যমতে, আবেদনকারী যখন তার ফর্ম পূরণ করবেন, তখন তাকে টিকিট হোল্ডার হিসেবে নিজেকে চিহ্নিত করতে হবে, যা পরবর্তীতে ফিফার ডেটাবেসের সাথে যাচাই করা হবে।
একবার তথ্য যাচাই হয়ে গেলে, আবেদনকারী ফিফা পাস অ্যাপয়েন্টমেন্ট উইন্ডোতে প্রবেশের সুযোগ পাবেন। এই উইন্ডোটি সাধারণ অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লটের চেয়ে অনেক দ্রুত এবং নিকটবর্তী তারিখগুলো প্রদর্শন করে। যদি কারো আগে থেকেই মে ৩১, ২০২৬-এর আগে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া থাকে, তবে তাদের বর্তমান তারিখেই ইন্টারভিউ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে যাদের অপেক্ষমাণ সময় অনেক মাস বা বছর দেখাচ্ছে, তাদের জন্য এই FIFA PASS একটি বিশাল আশীর্বাদ হিসেবে কাজ করবে।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ভিসা তথ্য (FIFA PASS)
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| প্রোগ্রামের নাম | FIFA Priority Appointment Scheduling System (FIFA PASS) |
| কার্যকরী তারিখ | ২০ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে |
| যোগ্যতা | ফিফা থেকে সরাসরি টিকিট কেনা আন্তর্জাতিক ভক্ত ও তাদের পরিবার |
| ভিসা ধরণ | মূলত B1/B2 (নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিজিটর ভিসা) |
| টুর্নামেন্ট সময়কাল | ১১ জুন – ১৯ জুলাই, ২০২৬ |
| লক্ষ্যমাত্রা | ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় ৬০ দিনের নিচে নামিয়ে আনা |
নিরাপত্তা ও ভিসা নীতিতে এই সিস্টেমের প্রভাব কী হতে যাচ্ছে?
অনেকে মনে করছেন টিকিট থাকলেই বুঝি ভিসা নিশ্চিত, কিন্তু মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর এই বিষয়ে অত্যন্ত কড়া বার্তা দিয়েছে। FIFA PASS ব্যবহারের ফলে কেবল লাইনের সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ মিলবে, কিন্তু ভিসার যোগ্যতা অর্জনে কোনো শিথিলতা আনা হয়নি। বিবিসি নিউজ-এর একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন সীমান্ত সুরক্ষা এবং যথাযথ যাচাইকরণের (Vetting) ওপর সর্বোচ্চ জোর দিচ্ছে। প্রতিটি ভক্তকে প্রমাণ করতে হবে যে তারা টুর্নামেন্ট শেষেই নিজ দেশে ফিরে যাবেন এবং মার্কিন আইন মেনে চলবেন।
সাম্প্রতিক সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৭৫টি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা স্থগিত করলেও, ফিফা পাসের আওতায় থাকা নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিজিটর ভিসার ক্ষেত্রে সেই নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, আক্রান্ত দেশগুলোর ফুটবল ভক্তরা চাইলে বিশ্বকাপে যোগ দেওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে ইরানের মতো কিছু দেশের ওপর থাকা পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা বজায় থাকবে, যেখানে অ্যাথলেট বা কর্মকর্তাদের জন্য বিশেষ ছাড় থাকলেও সাধারণ দর্শকদের জন্য প্রবেশের সুযোগ সীমিত থাকবে। এটি স্পষ্ট যে, খেলাধুলার উন্মাদনার মাঝেও মার্কিন সরকার তার জাতীয় নিরাপত্তা প্রোটোকলগুলোতে কোনো ছাড় দিচ্ছে না।
পরিবার এবং দলের সদস্যদের জন্য কি কোনো বিশেষ ছাড় রয়েছে?
FIFA PASS-এর সুবিধা কেবল টিকিট ক্রেতারাই পাবেন না, বরং তাদের সাথে ভ্রমণকারী ঘনিষ্ঠ পরিবারের সদস্যরাও (স্বামী/স্ত্রী এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক সন্তান) একই অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট ব্যবহার করতে পারবেন। তবে শর্ত হলো, তাদের টিকিট হোল্ডারের সাথেই ইন্টারভিউতে উপস্থিত হতে হবে। ফিফা জানিয়েছে যে, যারা টিকিট ট্রান্সফার ফিচারের মাধ্যমে টিকিট সংগ্রহ করেছেন, তাদেরও প্রথমে ফিফার পোর্টালে গিয়ে টিকিট গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং এরপরই তারা ফিফা পাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
অ্যাথলেট, কোচ এবং সাপোর্টিং স্টাফদের জন্য প্রক্রিয়াটি দর্শকদের চেয়ে কিছুটা আলাদা। তাদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ ক্যাটাগরির ভিসা নিশ্চিত করার কাজ শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট দেশের ফুটবল ফেডারেশনগুলো। সাধারণ দর্শকদের ক্ষেত্রে যারা ইতিমধ্যেই বড় স্লটগুলোতে অপেক্ষা করছেন, তারা চাইলে টিকিট ক্রয়ের পর তাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ফিফা পাসের মাধ্যমে এগিয়ে নিতে পারেন। এই নমনীয়তা নিশ্চিত করছে যে, টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই যেন বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তের ফুটবলপ্রেমীরা তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনা গুছিয়ে নিতে পারেন।
বিসিসিআই বা অন্যান্য স্পোর্টস বডি কি এখান থেকে শিক্ষা নিতে পারে?
এই ধরনের বৃহৎ ইভেন্টে ভিসা ফাসিলিটেশন সিস্টেম বা অগ্রাধিকার ভিত্তিক ব্যবস্থা ক্রীড়া বিশ্বের জন্য একটি মাইলফলক। ২০২৬ বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের বৃহত্তম আসর যেখানে ৪৮টি দল অংশগ্রহণ করবে এবং ১৬টি শহরে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকো যৌথভাবে এই আসর আয়োজন করায় সীমান্ত পারাপারের বিষয়টি ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। ফিফা পাস এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তি এবং কূটনীতির এক অনবদ্য মিশেল।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে অলিম্পিক বা ক্রিকেট বিশ্বকাপের মতো ইভেন্টেও আয়োজক দেশগুলো এই মডেল অনুসরণ করতে পারে। এতে করে টিকিট বিক্রি যেমন বাড়বে, তেমনি ভক্তদের হয়রানিও অনেকাংশে কমবে। বিশেষ করে উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর ভক্তরা যারা দীর্ঘ ভিসা প্রসেসিংয়ের ভয়ে বিদেশে খেলা দেখতে যেতে চান না, তাদের জন্য এই সিস্টেমটি একটি বড় অনুপ্রেরণা হতে পারে। ২০২৬ বিশ্বকাপের সফলতাই বলে দেবে এই ডিজিটাল পাস সিস্টেমটি ভবিষ্যতে কতটা টেকসই হবে।
FAQ:
১. ফিফা পাস (FIFA PASS) কি ভিসার গ্যারান্টি দেয়?
না, ফিফা পাস কেবল ভিসার ইন্টারভিউয়ের তারিখ এগিয়ে নিয়ে আসার বা অগ্রাধিকার পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয়। ভিসার অনুমোদন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আপনার ইন্টারভিউ এবং মার্কিন অভিবাসন আইনের শর্ত পূরণের ওপর।
২. আমি কি টিকিট কেনার আগে ফিফা পাসের জন্য আবেদন করতে পারি?
না। ফিফা পাস ব্যবহারের জন্য আপনার কাছে বৈধ ২০২৬ বিশ্বকাপের টিকিট থাকতে হবে এবং সেটি ফিফার টিকিট পোর্টালের ডেটাবেসে নিবন্ধিত হতে হবে।
৩. যারা ভিসা ওয়েভার কান্ট্রির (VWP) নাগরিক তাদের কি এটি লাগবে?
না, যেসব দেশের নাগরিকদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যেতে ভিসার প্রয়োজন হয় না (যেমন: যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া), তারা কেবল ESTA আবেদন করেই ভ্রমণ করতে পারবেন। তাদের জন্য ফিফা পাস প্রয়োজন নেই।
৪. পরিবারের সদস্যরা কি টিকিট ছাড়াই এই অগ্রাধিকার পেতে পারে?
হ্যাঁ, টিকিট হোল্ডারের স্বামী/স্ত্রী এবং সন্তানরা তাদের সাথে একই অ্যাপয়েন্টমেন্টে অগ্রাধিকার পেতে পারেন, যদি তারা একসাথে ইন্টারভিউ দিতে উপস্থিত থাকেন।
৫. আমার যদি মে ৩১, ২০২৬-এর আগে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নেওয়া থাকে তবে কী হবে?
পররাষ্ট্র দপ্তরের পরামর্শ হলো, আপনার যদি মে ৩১-এর আগে কোনো অ্যাপয়েন্টমেন্ট থাকে, তবে সেটিই বজায় রাখুন। ফিফা পাস মূলত তাদের জন্য যাদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনেক দেরিতে বা যারা নতুন আবেদন করছেন।
৬. টিকিট বিক্রি করে দিলে কি ভিসা বাতিল হয়ে যাবে?
না। একবার ভিসা পেয়ে গেলে এবং পরবর্তীতে আপনি যদি টিকিট বিক্রি করে দেন, তবে সেই কারণে ভিসা বাতিল করা হবে না। তবে মনে রাখতে হবে ভিসা আবেদনের সময় আপনার উদ্দেশ্য এবং টিকিটের বৈধতা যাচাই করা হয়।
JitaBet , JitaWin , এবং JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন, তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!
উপসংহার:
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-কে ঘিরে যে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, তাকে সার্থক রূপ দিতে FIFA PASS একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো কঠোর ভিসা নীতিসম্পন্ন দেশে লাখ লাখ দর্শকদের প্রবেশ সহজতর করা একটি বিশাল প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফিফা এবং মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের এই সমন্বয় প্রমাণ করে যে, বিশ্বমানের টুর্নামেন্ট কেবল মাঠের লড়াই নয়, বরং মাঠের বাইরের ব্যবস্থাপনাতেও সমান নিখুঁত হওয়া প্রয়োজন। অগ্রাধিকার ভিত্তিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেমটি মূলত উন্নয়নশীল দেশের ফুটবল ভক্তদের জন্য সবচেয়ে বেশি কার্যকর হবে, যারা সচরাচর দীর্ঘ ভিসা প্রসেসিং সময়ের কারণে বড় ইভেন্টগুলোতে অংশগ্রহণের সাহস পান না। এই উদ্যোগের ফলে আন্তর্জাতিক ভক্তদের জন্য ভ্রমণের পথ যেমন সুগম হলো, তেমনি বিশ্বকাপের ইনক্লুসিভিটি বা সর্বজনীনতাও রক্ষিত হলো।
তবে ভক্তদের মনে রাখা জরুরি যে, এই আধুনিক সুযোগটি যেন কোনোভাবেই অপব্যবহৃত না হয়। মার্কিন প্রশাসন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, নিরাপত্তা স্ক্রিনিংয়ের ক্ষেত্রে কোনো আপস করা হবে না। টিকিট কেনা থেকে শুরু করে ভিসার ইন্টারভিউ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তথ্যের স্বচ্ছতা বজায় রাখাই হলো সফলভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর চাবিকাঠি। ৪ মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এই সিস্টেম চালু করা হয়েছে যাতে আগামী জুনের আগেই প্রতিটি টিকিট হোল্ডার তাদের পাসপোর্ট ভিসা যুক্ত করতে পারেন। শেষ পর্যন্ত, ফিফা বিশ্বকাপ কেবল একটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি বিশ্বজুড়ে মানুষের মেলবন্ধন। আর এই মেলবন্ধনকে বাস্তবে রূপ দিতে ‘ফিফা পাস’ প্রযুক্তি এবং প্রশাসনের যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছে, তা আগামী দিনের ক্রীড়া ইভেন্ট ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করবে। বিশ্বকাপের রঙে রঙিন হতে চাইলে আপনার টিকিট নিয়ে দ্রুত এই অগ্রাধিকারের সুযোগ গ্রহণ করাই হবে এখনকার সেরা সিদ্ধান্ত।
For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News




