ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ আমেরিকা, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিতব্য এই মেগা ইভেন্টের জন্য আফ্রিকা মহাদেশের (CAF) বাছাইপর্ব ছিল নাটকীয়তা, রোমাঞ্চ এবং অঘটন দিয়ে ঠাসা। সালাহ, মানে কিংবা মাহরেজের মতো প্রতিষ্ঠিত মহাতারকাদের ভিড়ে এবার পাদপ্রদীপের আলো কেড়ে নিয়েছেন একঝাঁক তরুণ প্রতিভাবান ফুটবলার।
এই আর্টিকেলে আমরা আফ্রিকার সেইসব ‘নেক্সট জেনারেশন’ বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের তারকাদের নিয়ে আলোচনা করব, যারা বাছাইপর্বে নিজেদের দলের জয়ে ‘ডিসাইসিভ’ বা নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেছেন। কেপ ভার্দেসহ (Cape Verde) বেশ কিছু দলের ঐতিহাসিক সাফল্যের পেছনে এই তরুণদের অবদান ছিল অনস্বীকার্য।
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ কামোরি দুম্বিয়া (মালি)
বয়স: ২২ (জন্ম ২০০৩)
পজিশন: অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার/উইঙ্গার
ক্লাব: ব্রেস্ট (লেলঁ থেকে)
২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফ্রিকান ফুটবলের সবচেয়ে বড় চমক সম্ভবত মালির কামোরি দুম্বিয়া (Kamory Doumbia)। একজন মিডফিল্ডার হয়েও বাছাইপর্বে তিনি করেছেন ৮টি গোল! যেখানে ভিক্টর ওসিমেন বা মোহাম্মদ সালাহর মতো স্ট্রাইকাররা থাকেন আলোচনার শীর্ষে, সেখানে দুম্বিয়া নীরবে মালির আক্রমণের প্রাণভ্রমরা হয়ে উঠেছেন।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: ঘানা এবং মাদাগাস্কারের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তার ড্রিবলিং এবং দূরপাল্লার শট ছিল দেখার মতো। বিশেষ করে ‘বক্স-টু-বক্স’ মুভমেন্ট এবং ফিনিশিং দক্ষতা তাকে আফ্রিকার অন্যতম সেরা উদীয়মান তারকায় পরিণত করেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে মালির মাঝমাঠের চাবিকাঠি থাকবে তার হাতেই।
ডাইলন লিভরামেন্টো (কেপ ভার্দে) – ইতিহাস গড়ার নায়ক
বয়স: ২৪ (জন্ম ২০০১)
পজিশন: ফরোয়ার্ড
ক্লাব: হেলাস ভেরোনা (লোনে কাসা পিয়া)
কেপ ভার্দে বা ‘ব্লু শার্কস’দের প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করা ছিল আফ্রিকান ফুটবলের রূপকথার মতো ঘটনা। আর এই রূপকথার রাজপুত্র ছিলেন ডাইলন লিভরামেন্টো (Dailon Livramento)।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: বাছাইপর্বে তিনি মোট ৬টি গোল করেছেন। তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স ছিল ক্যামেরুন এবং অ্যাঙ্গোলার বিপক্ষে। ডি-বক্সের ভেতরে তার ‘পোজিশনিং সেন্স’ এবং হেড করার ক্ষমতা কেপ ভার্দেকে তাদের ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য এনে দিয়েছে। ভিনসেন্ট আবুবকরের মতো অভিজ্ঞদের টপকে তিনি ছিলেন গ্রুপ ‘ডি’-এর অন্যতম সেরা পারফর্মার।
পাপে মাতার সার (সেনেগাল) – তেরাঙ্গার নতুন ইঞ্জিন
বয়স: ২৩ (জন্ম ২০০২)
পজিশন: সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার
ক্লাব: টটেনহ্যাম হটস্পার
সেনেগালের মাঝমাঠের কথা ভাবলেই একসময় ইদ্রিসা গানা গুইয়ের কথা মনে হতো। কিন্তু ২০২৬ বাছাইপর্বে সেই ব্যাটন নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন টটেনহ্যামের তরুণ সেনসেশন পাপে মাতার সার (Pape Matar Sarr)।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: একজন ডিফেন্সিভ বা সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার হওয়া সত্ত্বেও বাছাইপর্বে তিনি ৪টি গোল করেছেন! দক্ষিণ সুদানের বিপক্ষে ৫-০ ব্যবধানের জয়ে তিনি ছিলেন অপ্রতিরোধ্য, পুরো মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ করেছেন এবং নিজেও গোল করেছেন। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে তার লড়াকু মানসিকতা সেনেগালকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছে। তার গেম রিডিং এবং পাসিং অ্যাকিউরেসি তাকে সেনেগালের ভবিষ্যৎ অধিনায়কের কাতারে নিয়ে গেছে।
ইয়ানকুবা মিনতেহ (গাম্বিয়া) – গতির ঝড়
বয়স: ২১ (জন্ম ২০০৪)
পজিশন: উইঙ্গার
ক্লাব: ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ অ্যালবিয়ন
আধুনিক ফুটবলে উইঙ্গারদের গতি এবং স্কিল ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। গাম্বিয়ার ইয়ানকুবা মিনতেহ (Yankuba Minteh) ঠিক সেই কাজটিই করেছেন।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: বাছাইপর্বে তিনি ৫টি গোল করেছেন। তার বিস্ফোরক গতি এবং প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের কাটিয়ে ভেতরে ঢোকার ক্ষমতা গাম্বিয়ার আক্রমণভাগকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। যদিও গাম্বিয়া বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা করে নিতে পারেনি, তবুও মিনতেহর ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ছিল বিশ্বমানের। ইউরোপীয় ক্লাব ফুটবলেও তার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
বিলাল এল খানুস (মরক্কো) – অ্যাটলাস লায়ন্সদের ‘আর্কিটেক্ট’
বয়স: ২১ (জন্ম ২০০৪)
পজিশন: অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার
ক্লাব: লেস্টার সিটি / জেনক
কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে খেলা মরক্কো তাদের দল পুনর্গঠন প্রক্রিয়ায় তরুণদের ওপর আস্থা রেখেছে। আর সেই আস্থার প্রতীক হলেন বিলাল এল খানুস (Bilal El Khannouss)।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: ২০২৫ সালের মার্চে নাইজারের বিপক্ষে ২-১ গোলের জয়ে তিনি তার প্রথম আন্তর্জাতিক গোল করেন এবং ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখেন। হাকিম জিয়েচের ছায়াসঙ্গী হিসেবে শুরু করলেও, বাছাইপর্বে তিনি নিজের প্লে-মেকিং দক্ষতা দিয়ে দলের মূল একাদশে জায়গা পাকা করেছেন। তার ভিশন এবং ‘কিলার পাস’ দেওয়ার ক্ষমতা মরক্কোকে আরও আক্রমণাত্মক করে তুলেছে।
আব্দুল ফাতাউ ইসাহাকু (ঘানা) – ব্ল্যাক স্টারদের নতুন আশা
বয়স: ২১ (জন্ম ২০০৪)
পজিশন: উইঙ্গার
ক্লাব: লেস্টার সিটি
ঘানার ফুটবল যখন কিছুটা ক্রান্তিকাল পার করছে, তখন আব্দুল ফাতাউ ইসাহাকু (Abdul Fatawu Issahaku) আশার আলো হয়ে এসেছেন। তার বাম পায়ের জাদুকরী শট এবং ক্রসগুলো ঘানার আক্রমণে প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: বাছাইপর্বে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসিস্ট এবং গোল করে তিনি দলের জয়ে অবদান রেখেছেন। লেস্টার সিটির হয়ে ইংলিশ লিগে খেলার অভিজ্ঞতা তাকে জাতীয় দলেও পরিণত করে তুলেছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে ঘানার আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান অস্ত্র হতে যাচ্ছেন তিনি।
হামজা ইগামানে (মরক্কো) ও ওউমার দিয়াকিতে (আইভরি কোস্ট) – ভবিষ্যৎ গোলমেশিন
এই তালিকার বাইরেও আরও দুজন তরুণ স্ট্রাইকার নজর কেড়েছেন:
- হামজা ইগামানে (মরক্কো): জাম্বিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে তার একটি দুর্দান্ত গোল ছিল। এন-নেসিরির উত্তরসূরি হিসেবে তাকে বিবেচনা করা হচ্ছে।
- ওউমার দিয়াকিতে (আইভরি কোস্ট): আইভরি কোস্টের ৭-০ গোলের বিশাল জয়ে (সিসিলিসের বিপক্ষে) তিনি গোল করেছেন এবং নিজের জাত চিনিয়েছেন। দিদিয়ের ড্রগবার দেশে নতুন স্ট্রাইকার হিসেবে তার উত্থান বেশ রোমাঞ্চকর।
করিম কোনাতে (আইভরি কোস্ট) – ‘দি নিউ দ্রগবা’র আগমনী বার্তা
বয়স: ২১ (জন্ম ২০০৪) পজিশন: স্ট্রাইকার ক্লাব: আরবি সালজবুর্গ
আইভরি কোস্টের ফুটবল ইতিহাসে দিদিয়ের দ্রগবার পর একজন ক্লিনিক্যাল ফিনিশারের অভাব সবসময়ই ছিল। সেই শূন্যস্থান পূরণে ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে নিজেকে মেলে ধরেছেন করিম কোনাতে (Karim Konaté)।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: বাছাইপর্বের ম্যাচে সেশেলসের বিপক্ষে তার জোড়া গোল ছিল দেখার মতো। ডি-বক্সের ভেতরে তার ক্ষিপ্রতা এবং ‘ফক্স ইন দ্য বক্স’ বা চতুর অবস্থান তাকে ডিফেন্ডারদের ধরাছোঁয়ার বাইরে রাখে। আইভরি কোস্টের ৯-০ গোলের বিশাল জয়ে তার অবদান ছিল প্রত্যক্ষ। সালজবুর্গের হয়ে ইউরোপীয় মঞ্চে খেলার অভিজ্ঞতা তাকে জাতীয় দলের জার্সিতে আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে। সেবাস্তিয়ান হালেরের উত্তরসূরি হিসেবে কোনাতেই এখন আইভরি কোস্টের আক্রমণের প্রধান ভরসা।
এলিস বেন সেগির (মরক্কো) – অ্যাটলাসের খুদে জাদুকর
বয়স: ২০ (জন্ম ২০০৫) পজিশন: অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার/উইঙ্গার ক্লাব: মোনাকো / বায়ার লেভারকুসেন (২০২৫ সিজন)
মরক্কোর সোনালী প্রজন্মের দলে জায়গা করে নেওয়া সহজ কাজ নয়, কিন্তু এলিস বেন সেগির (Eliesse Ben Seghir) নিজের প্রতিভার জোরে সেটাই করে দেখিয়েছেন। ২০২৪ সালের জুনে জাম্বিয়ার বিপক্ষে তার অভিষেক গোলটি ছিল তার আগমনী বার্তা।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: জাম্বিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলের কষ্টার্জিত জয়ে বেন সেগিরের গোলটি ছিল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। তার ড্রিবলিং স্টাইল এবং লো গ্রাভিটি ব্যালেন্স তাকে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত করেছে। তিনি শুধুমাত্র গোল করতেই পছন্দ করেন না, বরং মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে আক্রমণে ওঠার ক্ষেত্রেও দুর্দান্ত। ২০২৬ বিশ্বকাপে হাকিমি এবং জিয়েচদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে মরক্কোর মাঝমাঠ মাতাবেন এই তরুণ তুর্কি।
ওউমার দিয়াকিতে (আইভরি কোস্ট) – সুপার সাব থেকে সুপারস্টার
বয়স: ২১ (জন্ম ২০০৩) পজিশন: ফরোয়ার্ড/উইঙ্গার ক্লাব: রিমস (বর্তমানে সার্কেল ব্রুজে লোনে)
আইভরি কোস্টের আক্রমণভাগের গভীরতা যে কতটা বেশি, তার প্রমাণ ওউমার দিয়াকিতে (Oumar Diakité)। শুরুর একাদশে সুযোগ না পেলেও, বদলি হিসেবে নেমে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার অদ্ভুত ক্ষমতা রয়েছে তার।
- পারফরম্যান্স হাইলাইটস: ২০২৫ সালের অক্টোবরে সেশেলসের বিপক্ষে ফিরতি লেগে ৭-০ গোলের জয়ে তিনি আবারও জালের দেখা পান। তার গতি এবং ফিজিক্যাল স্ট্রেংথ তাকে আফ্রিকান কন্ডিশনে অত্যন্ত কার্যকর করে তুলেছে। প্রতিপক্ষের ক্লান্ত ডিফেন্ডারদের বিপক্ষে ম্যাচের শেষ ৩০ মিনিটে তিনি হয়ে ওঠেন অপ্রতিরোধ্য। কোচ ফায়ে তার ওপর আস্থা রাখছেন ‘ইমপ্যাক্ট সাব’ হিসেবে, যিনি ২০২৬ বিশ্বকাপে বড় দলগুলোর বিপক্ষে তুরুপের তাস হতে পারেন।
JitaBet , JitaWin , এবং JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন, তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!
উপসংহার:
২০২৬ বিশ্বকাপের আফ্রিকান বাছাইপর্ব প্রমাণ করেছে যে মহাদেশটির ফুটবল এখন আর শুধুমাত্র গুটিকয়েক বড় নামের ওপর নির্ভরশীল নয়। কামোরি দুম্বিয়া, ডাইলন লিভরামেন্টো এবং পাপে মাতার সার-এর মতো তরুণরা দেখিয়েছেন যে তারা বিশ্বের সেরা মঞ্চে পারফর্ম করতে প্রস্তুত। তাদের কাঁধে ভর করেই আফ্রিকা ২০২৬ সালে আমেরিকা মহাদেশে নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখছে।
FAQ
১. ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় তরুণ বিস্ময় কে?
উত্তর: ২০২৬ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় তরুণ বিস্ময় হলেন মালির কামোরি দুম্বিয়া (Kamory Doumbia)। একজন মিডফিল্ডার হওয়া সত্ত্বেও তিনি বাছাইপর্বে ৮টি গোল করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
২. সেনেগালের মাঝমাঠের পরবর্তী নেতা হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হচ্ছে?
উত্তর: টটেনহ্যাম হটস্পারের তরুণ তারকা পাপে মাতার সার (Pape Matar Sarr)-কে সেনেগালের মাঝমাঠের পরবর্তী নেতা ভাবা হচ্ছে। তিনি ইদ্রিসা গানা গুইয়ের উত্তরসূরি হিসেবে মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ এবং গোল করার দক্ষতা দেখিয়েছেন।
৩. কেপ ভার্দে কি ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে?
উত্তর: ডাইলন লিভরামেন্টোর (Dailon Livramento) মতো তরুণদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে কেপ ভার্দে বাছাইপর্বে তাদের ইতিহাসের সেরা খেলা উপহার দিয়েছে এবং বিশ্বকাপে খেলার শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।
৪. মরক্কোর বিলাল এল খানুস কেন এত আলোচিত?
উত্তর: মাত্র ২১ বছর বয়সী বিলাল এল খানুস তার অসাধারণ গেম রিডিং এবং প্লে-মেকিং ক্ষমতার জন্য আলোচিত। তাকে মরক্কোর ‘গোল্ডেন জেনারেশন’-এর ভবিষ্যৎ আর্কিটেক্ট বা রূপকার বলা হচ্ছে।
৫. ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
উত্তর: ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ যৌথভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডায় অনুষ্ঠিত হবে। এটিই হবে ৪৮টি দলের অংশগ্রহণে প্রথম বিশ্বকাপ।
For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News





