আইএসএল ২০২৬ ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) ২০২৬ মৌসুমের পূর্ণাঙ্গ সূচি প্রকাশিত হয়েছে, যা আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী সল্টলেক স্টেডিয়ামে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট এবং কেরালা ব্লাস্টার্সের মধ্যকার ম্যাচের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করছে। এ বছর লিগে মোট ১৪টি দল অংশগ্রহণ করছে, যেখানে নতুন মুখ হিসেবে যোগ দিয়েছে ইন্টার কাশি এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি। প্রশাসনিক জটিলতা কাটিয়ে লিগটি শেষ পর্যন্ত ৩ মে বিখ্যাত কলকাতা ডার্বি এবং ১১ মে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচের মাধ্যমে এক রোমাঞ্চকর সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাবে।
কেন এই মৌসুমটি ভারতীয় ফুটবলের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ?
২০২৬ সালের এই মৌসুমটি ইন্ডিয়ান সুপার লিগের জন্য একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। গত বছরের শেষে এআইএফএফ (AIFF) এবং এফএসডিএল (FSDL)-এর মধ্যকার মাস্টার রাইটস এগ্রিমেন্ট (MRA) শেষ হওয়ার পর লিগের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ভারতের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং ফুটবল ফেডারেশনের জরুরি বৈঠকের পর টুর্নামেন্টটি পুনরায় ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। টাইমস্ অফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, লিগের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং ২০৩৬ অলিম্পিক বিডের স্বপ্ন জিইয়ে রাখতে এই মৌসুমটি আয়োজন করা অপরিহার্য ছিল।
এই ১২তম সংস্করণে লিগের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১৪টি দল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মোহামেডান স্পোর্টিং, ইন্টার কাশি, এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লির অন্তর্ভুক্তি লিগটিকে আরও বৈচিত্র্যময় করে তুলেছে। মোট ৯১টি ম্যাচ আয়োজিত হবে একটি সিঙ্গেল রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটে, যেখানে প্রতিটি দল একে অপরের মুখোমুখি হবে একবার করে। এই সংক্ষিপ্ত তবে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক কাঠামোটি খেলোয়াড়দের ওপর শারীরিক চাপ কমালেও প্রতিটি ম্যাচের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে, কারণ একটি ভুলই শিরোপার দৌড় থেকে ছিটকে দিতে পারে যেকোনো জায়ান্টকে।
লিগের কাঠামো এবং নতুন দলগুলোর ভূমিকা কী?
এবারের আইএসএলে প্রথাগত হোম-অ্যাওয়ে ফরম্যাটের পরিবর্তে একটি পরিবর্তিত সূচি অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি দল মোট ১৩টি করে ম্যাচ খেলবে। লিগের শীর্ষ দল সরাসরি এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ২ (AFC Champions League 2)-এর যোগ্যতা অর্জন করবে। প্রশাসনিকভাবে এটি একটি বড় পরিবর্তন, কারণ এবার ক্লাবগুলোর হাতে লিগ পরিচালনার ৬০ শতাংশ অংশীদারিত্ব রয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্য অনুযায়ী, এই নতুন মডেলে ক্লাবগুলো স্বাবলম্বী হওয়ার পথে এক ধাপ এগিয়ে গেল।
ইন্টার কাশি এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি-র মতো নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো লিগে যোগ দেওয়ায় উত্তর ভারতের ফুটবলে নতুন জোয়ার এসেছে। বিশেষ করে বারানসি ভিত্তিক ইন্টার কাশি তাদের হোম ম্যাচগুলো ভুবনেশ্বরে খেললেও তাদের বিশাল ফ্যানবেস লিগের ডিজিটাল ভিউয়ারশিপে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, দিল্লির দুই দল—পাঞ্জাব এফসি এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি—রাজধানীর ফুটবল প্রেমিদের জন্য নিয়মিত টানটান উত্তেজনার ম্যাচ উপহার দেবে। লিগের ম্যাচগুলো মূলত বিকেল ৫টা এবং সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে শুরু হবে, যা প্রাইম টাইম ভিউয়ারশিপ নিশ্চিত করার জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।
একনজরে আইএসএল ২০২৬: মূল তথ্যাবলি
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| উদ্বোধনী ম্যাচ | মোহনবাগান এসজি বনাম কেরালা ব্লাস্টার্স (১৪ ফেব্রুয়ারি) |
| অংশগ্রহণকারী দল | ১৪টি (নতুন দল: ইন্টার কাশি ও স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি) |
| মোট ম্যাচ সংখ্যা | ৯১টি (লিগ পর্বে) |
| বিখ্যাত কলকাতা ডার্বি | ৩ মে, ২০২৬ |
| লিগ পর্বের সমাপ্তি | ১১ মে, ২০২৬ |
| ব্রডকাস্ট পার্টনার | সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক ও ফ্যানকোড (FanCode) |
কেন এই সূচি নিয়ে বিতর্ক এবং সংশয় ছিল?
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন ইন্ডিয়ান ফুটবলের ক্যালেন্ডার থেকে আইএসএল বাদ পড়ার উপক্রম হয়েছিল, তখন সুনীল ছেত্রী এবং সন্দেশ ঝিঙ্গানের মতো তারকারা সামাজিক মাধ্যমে ‘সেভ ইন্ডিয়ান ফুটবল’ ক্যাম্পেইন শুরু করেছিলেন। এআইএফএফ-এর আইনি লড়াই এবং ফিন্যান্সিয়াল মডেল নিয়ে ক্লাবগুলোর অসন্তোষের কারণে লিগটি প্রায় বাতিল হওয়ার মুখে ছিল। শেষ পর্যন্ত ক্লাবগুলো ১ কোটি টাকার পার্টিসিপেশন ফি দিতে রাজি হওয়ায় এবং এআইএফএফ সম্প্রচার ও রেফারিংয়ের খরচ বহন করার প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় জট কাটে। অলিম্পিক ডট কমের রিপোর্ট নিশ্চিত করেছে যে, এই সংকটের কারণে লিগটি তার স্বাভাবিক সেপ্টেম্বর শুরুর সময়সীমা হারিয়ে ফেব্রুয়ারিতে পিছিয়ে আসে।
প্রশাসনিক এই অস্থিরতার প্রভাব দলবদলের বাজারেও পড়েছে। অনেক বিদেশি খেলোয়াড় অনিশ্চয়তার কারণে ভারতের ক্লাব ছেড়ে মধ্যপ্রাচ্য বা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার লিগে যোগ দিয়েছিলেন। তবে লিগ শুরুর ঘোষণা আসার পর ক্লাবগুলো দ্রুত তাদের স্কোয়াড পুনর্গঠন করেছে। উদাহরণস্বরূপ, মুম্বাই সিটি এফসি এবং বেঙ্গালুরু এফসি তাদের মূল কাঠামো ধরে রাখতে সক্ষম হলেও নতুন দলগুলোর জন্য খেলোয়াড় রিক্রুটমেন্ট একটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও লিগ আয়োজন করাকে ফুটবল বিশ্লেষকরা ভারতীয় ফুটবলের ‘রেসিলিয়েন্স’ বা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক হিসেবে দেখছেন।
ভেন্যু এবং মাঠের প্রস্তুতিতে কী কী পরিবর্তন আসছে?
এবারের আইএসএলে স্টেডিয়ামের প্রস্তুতি নিয়ে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ দেখা দিয়েছে। ওডিশা এফসি তাদের হোম ম্যাচগুলো কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে খেলার অনুমতি পেতে দেরি হওয়ায় শুরুর দিকের কিছু ম্যাচ নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছিল। এছাড়া কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এবং কিশোর ভারতী ক্রীড়াঙ্গন—এই দুই ভেন্যুতেই মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল এবং মোহামেডান স্পোর্টিংয়ের সব ম্যাচ আয়োজন করা হচ্ছে, যা মাঠের ঘাস ও রক্ষণাবেক্ষণের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করবে।
পাঞ্জাব এফসি এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি তাদের হোম ম্যাচগুলো দিল্লির জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে খেলবে। কোচিন, গোয়া এবং জামশেদপুরের মতো প্রথাগত ফুটবল দুর্গগুলো যথারীতি তাদের উন্মাদনা বজায় রাখবে। তবে এআইএফএফ-এর অফিশিয়াল প্রেস রিলিজ অনুযায়ী, ইন্টার কাশির মতো দলগুলোর জন্য স্থায়ী হোম গ্রাউন্ড না থাকাটা লিগের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনায় একটি খামতি হিসেবে রয়ে গেছে। তবুও, ভুবনেশ্বর এবং দিল্লির মতো নিরপেক্ষ ভেন্যুগুলোতে ম্যাচ আয়োজন করে লিগের ব্যাপ্তি বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
২০২৬ সালের লিগ থেকে প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ কী?
এই ছোট মেয়াদের লিগটি মূলত একটি ‘ট্রানজিশনাল পিরিয়ড’ হিসেবে কাজ করছে। এআইএফএফ সেক্রেটারি জেনারেল যেমনটি বলেছিলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল ফুটবল বন্ধ হতে না দেওয়া।” ৩ মে অনুষ্ঠেয় ফিরতি কলকাতা ডার্বিটি লিগের শিরোপা নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি এশীয় প্রতিযোগিতার টিকিট পাবে, যা ক্লাবগুলোর জন্য বিশাল আর্থিক এবং সম্মানের বিষয়।
ভবিষ্যতের দিকে তাকালে, ২০২৬-২৭ মৌসুম থেকে লিগটি আবার পূর্ণাঙ্গ ৯ মাসের ফরম্যাটে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে। এই মৌসুমের সাফল্য নির্ভর করবে দর্শকদের উপস্থিতি এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভিউয়ারশিপের ওপর। সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্কের সাথে শেষ মুহূর্তের ব্রডকাস্ট চুক্তি লিগটিকে সাধারণ মানুষের ড্রয়িং রুমে পৌঁছে দিতে সাহায্য করবে। ভারতীয় ফুটবলের এই সংকটকাল থেকে উত্তরণের গল্পটি সফল হবে কি না, তা সময়ই বলে দেবে।
আইএসএল ২০২৬: পূর্ণাঙ্গ ফিক্সচার (লিগ পর্ব)
| তারিখ | ম্যাচ (হোম বনাম অ্যাওয়ে) | ভেন্যু | সময় (IST) |
| ১৪ ফেব্রুয়ারি | মোহনবাগান এসজি vs কেরালা ব্লাস্টার্স | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ১৪ ফেব্রুয়ারি | এফসি গোয়া vs ইন্টার কাশি | ফতোরদা স্টেডিয়াম, গোয়া | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৫ ফেব্রুয়ারি | জামশেদপুর এফসি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | বিকেল ৫:০০ |
| ১৫ ফেব্রুয়ারি | বেঙ্গালুরু এফসি vs স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি | কান্তিরাভা স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৬ ফেব্রুয়ারি | ওডিশা এফসি vs পাঞ্জাব এফসি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | বিকেল ৫:০০ |
| ১৬ ফেব্রুয়ারি | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs নর্থইস্ট ইউনাইটেড | কিশোর ভারতী, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৯ ফেব্রুয়ারি | মুম্বাই সিটি এফসি vs চেন্নাইয়িন এফসি | মুম্বাই ফুটবল এরিনা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২০ ফেব্রুয়ারি | মোহামেডান স্পোর্টিং vs এফসি গোয়া | কিশোর ভারতী, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২১ ফেব্রুয়ারি | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ২১ ফেব্রুয়ারি | জামশেদপুর এফসি vs পাঞ্জাব এফসি | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২২ ফেব্রুয়ারি | বেঙ্গালুরু এফসি vs নর্থইস্ট ইউনাইটেড | কান্তিরাভা স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু | বিকেল ৫:০০ |
| ২২ ফেব্রুয়ারি | কেরালা ব্লাস্টার্স vs মুম্বাই সিটি এফসি | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৩ ফেব্রুয়ারি | মোহনবাগান এসজি vs চেন্নাইয়িন এফসি | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৪ ফেব্রুয়ারি | ওডিশা এফসি vs ইন্টার কাশি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৬ ফেব্রুয়ারি | এফসি গোয়া vs স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি | ফতোরদা স্টেডিয়াম, গোয়া | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৭ ফেব্রুয়ারি | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs জামশেদপুর এফসি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ২৭ ফেব্রুয়ারি | বেঙ্গালুরু এফসি vs পাঞ্জাব এফসি | কান্তিরাভা স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৮ ফেব্রুয়ারি | কেরালা ব্লাস্টার্স vs ইন্টার কাশি | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | বিকেল ৫:০০ |
| ২৮ ফেব্রুয়ারি | মোহনবাগান এসজি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১ মার্চ | ওডিশা এফসি vs চেন্নাইয়িন এফসি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর | বিকেল ৫:০০ |
| ১ মার্চ | মুম্বাই সিটি এফসি vs নর্থইস্ট ইউনাইটেড | মুম্বাই ফুটবল এরিনা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৫ মার্চ | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs এফসি গোয়া | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ৬ মার্চ | জামশেদপুর এফসি vs ইন্টার কাশি | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৬ মার্চ | ওডিশা এফসি vs মোহনবাগান এসজি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর | বিকেল ৫:০০ |
| ৭ মার্চ | মোহামেডান স্পোর্টিং vs বেঙ্গালুরু এফসি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ৭ মার্চ | কেরালা ব্লাস্টার্স vs চেন্নাইয়িন এফসি | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৮ মার্চ | মুম্বাই সিটি এফসি vs স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি | মুম্বাই ফুটবল এরিনা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৯ মার্চ | পাঞ্জাব এফসি vs নর্থইস্ট ইউনাইটেড | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৩ মার্চ | চেন্নাইয়িন এফসি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | JLN স্টেডিয়াম, চেন্নাই | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৩ মার্চ | স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি vs ওডিশা এফসি | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৪ মার্চ | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs কেরালা ব্লাস্টার্স | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ১৪ মার্চ | বেঙ্গালুরু এফসি vs মোহনবাগান এসজি | কান্তিরাভা স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৫ মার্চ | নর্থইস্ট ইউনাইটেড vs জামশেদপুর এফসি | ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক, গুয়াহাটি | বিকেল ৫:০০ |
| ১৫ মার্চ | ইন্টার কাশি vs মুম্বাই সিটি এফসি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৬ মার্চ | পাঞ্জাব এফসি vs এফসি গোয়া | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৯ মার্চ | স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি vs জামশেদপুর এফসি | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২০ মার্চ | নর্থইস্ট ইউনাইটেড vs ওডিশা এফসি | ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক, গুয়াহাটি | বিকেল ৫:০০ |
| ২০ মার্চ | মোহনবাগান এসজি vs মুম্বাই সিটি এফসি | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২১ মার্চ | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ২১ মার্চ | কেরালা ব্লাস্টার্স vs পাঞ্জাব এফসি | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২২ মার্চ | চেন্নাইয়িন এফসি vs এফসি গোয়া | JLN স্টেডিয়াম, চেন্নাই | বিকেল ৫:০০ |
| ২২ মার্চ | ইন্টার কাশি vs বেঙ্গালুরু এফসি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৩ এপ্রিল | পাঞ্জাব এফসি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৪ এপ্রিল | জামশেদপুর এফসি vs মোহনবাগান এসজি | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | বিকেল ৫:০০ |
| ৪ এপ্রিল | এফসি গোয়া vs বেঙ্গালুরু এফসি | ফতোরদা স্টেডিয়াম, গোয়া | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৫ এপ্রিল | স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি vs কেরালা ব্লাস্টার্স | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | বিকেল ৫:০০ |
| ৫ এপ্রিল | মুম্বাই সিটি এফসি vs ওডিশা এফসি | মুম্বাই ফুটবল এরিনা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৭ এপ্রিল | চেন্নাইয়িন এফসি vs ইন্টার কাশি | JLN স্টেডিয়াম, চেন্নাই | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৯ এপ্রিল | জামশেদপুর এফসি vs মুম্বাই সিটি এফসি | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১০ এপ্রিল | নর্থইস্ট ইউনাইটেড vs স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি | ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক, গুয়াহাটি | বিকেল ৫:০০ |
| ১০ এপ্রিল | এফসি গোয়া vs ওডিশা এফসি | ফতোরদা স্টেডিয়াম, গোয়া | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১১ এপ্রিল | চেন্নাইয়িন এফসি vs ইস্টবেঙ্গল এফসি | JLN স্টেডিয়াম, চেন্নাই | বিকেল ৫:০০ |
| ১১ এপ্রিল | বেঙ্গালুরু এফসি vs কেরালা ব্লাস্টার্স | কান্তিরাভা স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১২ এপ্রিল | ইন্টার কাশি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | বিকেল ৫:০০ |
| ১২ এপ্রিল | মোহনবাগান এসজি vs পাঞ্জাব এফসি | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৫ এপ্রিল | কেরালা ব্লাস্টার্স vs নর্থইস্ট ইউনাইটেড | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৬ এপ্রিল | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs বেঙ্গালুরু এফসি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৭ এপ্রিল | চেন্নাইয়িন এফসি vs স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি | JLN স্টেডিয়াম, চেন্নাই | বিকেল ৫:০০ |
| ১৭ এপ্রিল | ওডিশা এফসি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৮ এপ্রিল | কেরালা ব্লাস্টার্স vs জামশেদপুর এফসি | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | বিকেল ৫:০০ |
| ১৮ এপ্রিল | এফসি গোয়া vs মুম্বাই সিটি এফসি | ফতোরদা স্টেডিয়াম, গোয়া | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১৯ এপ্রিল | নর্থইস্ট ইউনাইটেড vs মোহনবাগান এসজি | ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক, গুয়াহাটি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২০ এপ্রিল | পাঞ্জাব এফসি vs ইন্টার কাশি | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৩ এপ্রিল | কেরালা ব্লাস্টার্স vs ওডিশা এফসি | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৪ এপ্রিল | নর্থইস্ট ইউনাইটেড vs এফসি গোয়া | ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক, গুয়াহাটি | বিকেল ৫:০০ |
| ২৪ এপ্রিল | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs পাঞ্জাব এফসি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৫ এপ্রিল | বেঙ্গালুরু এফসি vs মুম্বাই সিটি এফসি | কান্তিরাভা স্টেডিয়াম, বেঙ্গালুরু | বিকেল ৫:০০ |
| ২৫ এপ্রিল | জামশেদপুর এফসি vs চেন্নাইয়িন এফসি | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৬ এপ্রিল | স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি vs মোহামেডান স্পোর্টিং | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | বিকেল ৫:০০ |
| ২৬ এপ্রিল | মোহনবাগান এসজি vs ইন্টার কাশি | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২৮ এপ্রিল | ইস্টবেঙ্গল এফসি vs ওডিশা এফসি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১ মে | জামশেদপুর এফসি vs এফসি গোয়া | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ২ মে | ইন্টার কাশি vs নর্থইস্ট ইউনাইটেড | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | বিকেল ৫:০০ |
| ২ মে | স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি vs পাঞ্জাব এফসি | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৩ মে | মোহামেডান স্পোর্টিং vs মুম্বাই সিটি এফসি | কিশোর ভারতী, কলকাতা | বিকেল ৫:০০ |
| ৩ মে | মোহনবাগান এসজি vs ইস্টবেঙ্গল এফসি (ডার্বি) | সল্টলেক স্টেডিয়াম, কলকাতা | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৪ মে | ওডিশা এফসি vs বেঙ্গালুরু এফসি | কলিঙ্গ স্টেডিয়াম, ভুবনেশ্বর (TBC) | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৬ মে | পাঞ্জাব এফসি vs চেন্নাইয়িন এফসি | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৮ মে | মুম্বাই সিটি এফসি vs ইস্টবেঙ্গল এফসি | মুম্বাই ফুটবল এরিনা (TBC) | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ৯ মে | এফসি গোয়া vs মোহনবাগান এসজি | ফতোরদা স্টেডিয়াম, গোয়া | বিকেল ৫:০০ |
| ৯ মে | জামশেদপুর এফসি vs বেঙ্গালুরু এফসি | JRD টাটা কমপ্লেক্স, জামশেদপুর | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১০ মে | কেরালা ব্লাস্টার্স vs মোহামেডান স্পোর্টিং | JLN স্টেডিয়াম, কোচি | বিকেল ৫:০০ |
| ১০ মে | নর্থইস্ট ইউনাইটেড vs চেন্নাইয়িন এফসি | ইন্দিরা গান্ধী অ্যাথলেটিক, গুয়াহাটি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
| ১১ মে | স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি vs ইন্টার কাশি | JLN স্টেডিয়াম, দিল্লি | সন্ধ্যা ৭:৩০ |
FAQ:
আইএসএল ২০২৬ কি আগের মতোই হোম-অ্যাওয়ে ফরম্যাটে হবে?
না, এবারের লিগ একটি সিঙ্গেল রাউন্ড-রবিন ফরম্যাটে আয়োজিত হচ্ছে। এর অর্থ হলো প্রতিটি দল লিগের অন্য ১৩টি দলের সাথে মাত্র একবার করে খেলবে। মোট ৯১টি ম্যাচের মাধ্যমে লিগ চ্যাম্পিয়ন নির্ধারিত হবে।
এবারের লিগে নতুন কোন দলগুলো যোগ দিয়েছে?
এ বছর আইএসএলে দুটি নতুন দল যোগ দিয়েছে—বারানসি থেকে ইন্টার কাশি এবং দিল্লি থেকে স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লি। এছাড়া গত মৌসুমের আই-লিগ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মোহামেডান স্পোর্টিংও লিগে অংশ নিচ্ছে।
কলকাতা ডার্বি কবে এবং কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
২০২৬ সালের বহুল প্রতীক্ষিত কলকাতা ডার্বি (মোহনবাগান বনাম ইস্টবেঙ্গল) আগামী ৩ মে কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে (VYBK) অনুষ্ঠিত হবে। ম্যাচটি সন্ধ্যা ৭:৩০ মিনিটে শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
লিগ পর্বের ম্যাচগুলো কোথায় দেখা যাবে?
আইএসএল ২০২৬-এর সমস্ত ম্যাচ টিভিতে সনি স্পোর্টস নেটওয়ার্ক (Sony Sports Network) চ্যানেলে এবং অনলাইনে ফ্যানকোড (FanCode) অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।
ওডিশা এফসি-র হোম ম্যাচগুলো কোথায় হবে?
প্রাথমিক জটিলতা থাকলেও ওডিশা এফসি তাদের অধিকাংশ হোম ম্যাচ ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে খেলবে। তবে সূচিতে কিছু ম্যাচের ভেন্যু এখনও ‘To Be Confirmed’ (TBC) হিসেবে রাখা হয়েছে।
লিগের বিজয়ী দল কি সরাসরি এশিয়ান টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পাবে?
হ্যাঁ, আইএসএল ২০২৬-এর লিগ টপার বা চ্যাম্পিয়ন দল সরাসরি এএফসি চ্যাম্পিয়নস লিগ ২ (AFC Champions League 2)-এর গ্রুপ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
JitaBet , JitaWin , এবং JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন, তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!
উপসংহার:
আইএসএল ২০২৬ মৌসুমটি কেবল একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট নয়, বরং এটি ভারতীয় ফুটবল প্রশাসনের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলা, আইনি জটিলতা এবং আর্থিক অনিশ্চয়তার পাহাড় টপকে লিগটি পুনরায় মাঠে গড়াচ্ছে, যা সমর্থকদের জন্য পরম স্বস্তির খবর। ১৪টি দলের এই মহাযুদ্ধ ভারতের ফুটবল মানচিত্রে নতুন নতুন শহরকে অন্তর্ভুক্ত করেছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসারে সহায়ক হবে। যদিও সিঙ্গেল লেগ ফরম্যাট বা সংক্ষিপ্ত সময়সীমা নিয়ে ফুটবল প্রেমীদের মনে কিছুটা আক্ষেপ রয়েছে, তবুও মাঠের লড়াই শুরু হলে সেই আবেগ সমস্ত বিতর্ককে ছাপিয়ে যাবে।
বর্তমান চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান এসজি তাদের শিরোপা ধরে রাখতে মরিয়া হলেও মুম্বাই সিটি বা বেঙ্গালুরু এফসির মতো দলগুলো ছেড়ে কথা বলবে না। বিশেষ করে মোহামেডান স্পোর্টিংয়ের অন্তর্ভুক্তি কলকাতার ফুটবলকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে, যেখানে এখন তিনটি বড় ক্লাবই দেশের সর্বোচ্চ স্তরে খেলছে। ইন্টার কাশি এবং স্পোর্টিং ক্লাব দিল্লির মতো নতুন দলগুলো লিগের প্রতিযোগিতামূলক আবহকে আরও তীব্র করে তুলবে। শেষ পর্যন্ত ১১ মে যখন লিগের পর্দা নামবে, তখন হয়তো আমরা কেবল একজন নতুন চ্যাম্পিয়নকেই পাব না, বরং পাব এক নতুন পেশাদারিত্বের ছাপ যা ভারতীয় ফুটবলকে বিশ্বদরবারে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। এখন সময় কেবল বাঁশি বাজার অপেক্ষা এবং গ্যালারিতে নীল-সাদা-সবুজ-মেরুন বা লাল-হলুদ পতাকার গর্জনের।
For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News






