লিওনেল মেসি ১৮ বছর বয়সী লামিনে ইয়ামাল ২০২৫ সালে ৩০৭টি সফল ড্রিবলিং করে লিওনেল মেসিকে টপকে গেছেন। এখন তার সামনে কেবল নেইমারের ঐতিহাসিক ৩৩৫ ড্রিবলিংয়ের বিশ্ব রেকর্ড। বার্সেলোনার তরুণ বিস্ময় লামিনে ইয়ামাল ২০২৫ সালে ফুটবল বিশ্বের সমস্ত গাণিতিক হিসেব পাল্টে দিয়ে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছেন। ড্রিবলিংয়ের দক্ষতায় তিনি সর্বকালের সেরা লিওনেল মেসিকে পেছনে ফেলে এক ক্যালেন্ডার ইয়ারে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল ড্রিবলিংয়ের মালিক হয়েছেন। বর্তমানে তার সামনে কেবল ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি নেইমার জুনিয়র রয়েছেন, যিনি ২০১৭ সালে ৩৩৫টি ড্রিবলিংয়ের বিশ্ব রেকর্ড গড়েছিলেন। ইয়ামালের এই অতিমানবীয় পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে, তিনি কেবল ভবিষ্যতের তারকা নন, বরং বর্তমান ফুটবল বিশ্বের প্রধান নিয়ন্ত্রক।
কেন লামিনে ইয়ামাল লিওনেল মেসির ড্রিবলিং রেকর্ড ভেঙে দিলেন?
২০২৫ সালে লামিনে ইয়ামালের খেলার ধরণ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তার বল নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা এবং প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারদের পরাস্ত করার গতি ছিল অবিশ্বাস্য। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই ক্যালেন্ডার বছরে তিনি মোট ৩০৭ বার সফল ড্রিবলিং করেছেন, যা ফুটবল ইতিহাসের আধুনিক যুগে কোনো কিশোরের জন্য বিরলতম ঘটনা। ইয়ামাল মূলত রাইট-উইং পজিশন থেকে ইনসাইড কাটিং এবং ক্লোজ কন্ট্রোল ড্রিবলিংয়ের মাধ্যমে বার্সেলোনার আক্রমণভাগকে সচল রেখেছেন। এই বিশেষ দক্ষতায় তিনি লিওনেল মেসির এক বছরে করা সর্বোচ্চ ড্রিবলিংয়ের সংখ্যাকে টপকে গেছেন, যা ভক্তদের মাঝে তাকে মেসির প্রকৃত উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
এই অর্জনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে বার্সেলোনার কোচিং স্টাফদের কৌশল এবং ইয়ামালের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি। চোট কাটিয়ে ওঠার পর তিনি আগের চেয়ে আরও বেশি ক্ষিপ্র হয়ে মাঠে ফিরেছেন। বিশেষ করে লা লিগা এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচগুলোতে তার ড্রিবলিং সাকসেস রেট ছিল চোখে পড়ার মতো। Tribuna-র বিশেষ সংবাদ অনুযায়ী, ইয়ামালের এই রেকর্ড ভাঙার প্রবণতা তাকে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের সবচেয়ে ভয়ংকর উইঙ্গারে পরিণত করেছে। মেসি যেখানে ক্যারিয়ারের একটা লম্বা সময় নিয়ে এই উচ্চতায় পৌঁছেছিলেন, ইয়ামাল মাত্র ১৮ বছর বয়সেই সেই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।
নেইমারের ৩৩৫ ড্রিবলিংয়ের রেকর্ডের কতটা কাছে আছেন ইয়ামাল?
বর্তমানে ফুটবল বিশ্বে ড্রিবলিংয়ের রাজা হিসেবে স্বীকৃত নেইমার জুনিয়র। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা এবং পিএসজির হয়ে খেলাকালীন নেইমার ৩৩৫টি সফল ড্রিবলিং সম্পন্ন করেছিলেন, যা আজ অবধি অজেয়। ইয়ামাল ৩০৭টি ড্রিবলিং নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও, নেইমারের রেকর্ডের খুব কাছাকাছি অবস্থান করছেন। ইয়ামালের ড্রিবলিংয়ের ধরণ নেইমারের মতোই শৈল্পিক এবং কার্যকর, যা দর্শককে মোহিত করে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যে গতিতে ইয়ামাল এগিয়ে যাচ্ছেন, আগামী বছরগুলোতে নেইমারের এই সর্বকালীন রেকর্ড ভাঙা তার জন্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে চোট এবং মাঠের বাইরের কিছু বিতর্কের কারণে ইয়ামাল কিছুটা ছন্দ হারিয়েছিলেন, কিন্তু মৌসুমের শেষভাগে তিনি দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়ান। Zamin-এর স্পোর্টস অ্যানালাইসিস মতে, এল ক্লাসিকোতে হারের পর ইয়ামাল যেভাবে নিজেকে পুনর্গঠন করেছেন তা অবিশ্বাস্য। তিনি কেবল ড্রিবলিংয়েই সীমাবদ্ধ থাকেননি, বরং চলতি মৌসুমে ২০ ম্যাচে ৯টি গোল এবং ১০টি অ্যাসিস্ট করে দলের জয়ে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন। নেইমারের রেকর্ড স্পর্শ করতে হলে ইয়ামালকে তার বর্তমান ফর্মের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে হবে।
এক নজরে ২০২৫ সালের ড্রিবলিং পরিসংখ্যান ও তথ্য
| ফুটবলারের নাম | সফল ড্রিবলিং (এক বছরে) | অর্জনের বছর | বর্তমান ক্লাব |
| নেইমার জুনিয়র | ৩৩৫ | ২০১৭ | আল-হিলাল |
| লামিনে ইয়ামাল | ৩০৭ | ২০২৫ | বার্সেলোনা |
| লিওনেল মেসি | ২৯১ | ২০১৫ | ইন্টার মায়ামি |
| আদামা ত্রাওরে | ২৭৫ | ২০২০ | ফুলহ্যাম |
বার্সেলোনার ১০ নম্বর জার্সির চাপ ইয়ামাল কীভাবে সামলাচ্ছেন?
বার্সেলোনায় ১০ নম্বর জার্সি পরা মানেই এক বিশাল প্রত্যাশার চাপ বহন করা, যা একসময় লিওনেল মেসি বহন করতেন। ২০২৫ সালে এই জার্সি পাওয়ার পর থেকেই ইয়ামালের ওপর বিশ্বের নজর ছিল। অনেক সমালোচক ভেবেছিলেন এই বিশাল চাপ তার স্বাভাবিক খেলায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, কিন্তু ইয়ামাল মাঠের পারফরম্যান্স দিয়ে সবাইকে স্তব্ধ করে দিয়েছেন। তার ড্রিবলিং সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, তিনি চাপের মুখে আরও বেশি ভয়ংকর হয়ে ওঠেন। প্রতিপক্ষের রক্ষনভাগ চূর্ণ করতে তিনি যে আত্মবিশ্বাস দেখান, তা কেবল অভিজ্ঞ বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের মধ্যেই দেখা যায়।
ইয়ামালের এই সাফল্যের পেছনে ক্লাবের সিনিয়র খেলোয়াড়দের সমর্থনও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। Playingfor90-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বার্সেলোনা ম্যানেজমেন্ট ইয়ামালকে কেন্দ্র করেই তাদের দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা সাজিয়েছে। লা লিগায় বর্তমানে তার ১৩টি অ্যাসিস্ট রয়েছে (পুরো মৌসুম মিলিয়ে), যা প্রমাণ করে যে তিনি কেবল একক দক্ষতায় বিশ্বাসী নন, বরং দলের সবার সাথে সমন্বয় করে খেলতে পছন্দ করেন। ১০ নম্বর জার্সির মর্যদা রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজেকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেবল ইতিহাসের সেরা ফুটবলাররা।
মাঠের বাইরের বিতর্ক কাটিয়ে কীভাবে ঘুরে দাঁড়ালেন এই তরুণ তুর্কি?
২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ইয়ামাল কিছুটা ব্যক্তিগত এবং মাঠের বাইরের বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন, যা তার খেলায় সাময়িক নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল। বিশেষ করে এল ক্লাসিকোতে বার্সার ২-১ গোলে হারের ম্যাচে তার নিষ্প্রভ পারফরম্যান্স নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছিল। তবে একজন পরিণত সাংবাদিক হিসেবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ইয়ামাল সেই সমালোচনাকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তিনি জিম এবং টেকনিক্যাল ট্রেনিংয়ে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে তার ফিটনেস এবং ড্রিবলিং অ্যাকুরেসি উন্নত করেছেন, যার ফলাফল বছরের শেষে তার এই অভাবনীয় পরিসংখ্যান।
রুদ্ররূপে ফিরে আসা ইয়ামাল এখন গোল এবং অ্যাসিস্টের মেশিন হয়ে উঠেছেন। ২০২৫ সালের শেষার্ধে তিনি প্রতিটি ম্যাচে গড়ে ১৫টির বেশি ড্রিবলিংয়ের চেষ্টা করেছেন, যার সাফল্যের হার ছিল ৭০ শতাংশের বেশি। তার এই লড়াকু মানসিকতা সম্পর্কে বার্সেলোনা কোচ হান্স ডিটার ফ্লিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, “আমরা ইয়ামালের সেরা সংস্করণটি দেখতে পাচ্ছি।” এই চারিত্রিক দৃঢ়তাই তাকে মেসির চেয়েও দ্রুত গতিতে রেকর্ড গড়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
ফুটবল বিশ্বের ভবিষ্যৎ কি এখন লামিনে ইয়ামালের হাতে?
বর্তমান ফুটবলের গ্লোবাল ল্যান্ডস্কেপ বিবেচনা করলে দেখা যায়, এমবাপ্পে বা হালান্ডের মতো গোলস্কোরারদের ভিড়ে ইয়ামাল একজন পিওর ‘এন্টারটেইনার’ এবং ‘ম্যাচ উইনার’ হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তার ড্রিবলিং শৈলী ফুটবল প্রেমীদের সেই সোনালী সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয় যখন ব্যক্তিগত কারিকুরি ম্যাচের ফলাফল নির্ধারণ করতো। গোল না করেও যে একজন খেলোয়াড় মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন, ইয়ামাল তার জীবন্ত উদাহরণ। ২০২৫ সালে তার করা ৩০৭টি সফল ড্রিবলিং কেবল একটি সংখ্যা নয়, বরং এটি বিশ্ব ফুটবলে তার আধিপত্যের ঘোষণা।
আন্তর্জাতিক ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ইয়ামাল যদি চোটমুক্ত থাকতে পারেন, তবে তিনি পরবর্তী এক দশকের জন্য ব্যালন ডি’অর জয়ের প্রধান দাবিদার হয়ে থাকবেন। বিভিন্ন স্পোর্টস জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, ইয়ামালের বর্তমান ফর্ম বজায় থাকলে ২০২৬ বিশ্বকাপের আগেই তিনি নেইমারের রেকর্ড ভেঙে ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরা ড্রিবলারের তকমা পেতে পারেন। ইয়ামালের এই উত্থান কেবল বার্সেলোনার জন্য নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের জন্যই এক নতুন যুগের সূচনা।
FAQ:
ইয়ামাল কি আসলেই মেসিকে ছাড়িয়ে গেছেন?
হ্যাঁ, এক ক্যালেন্ডার বছরে সফল ড্রিবলিংয়ের সংখ্যার বিচারে ইয়ামাল (৩০৭টি) লিওনেল মেসির রেকর্ডকে (২৯১টি) অতিক্রম করেছেন। তবে ক্যারিয়ারের সামগ্রিক অর্জনে মেসি এখনও সবার উপরে।
নেইমারের রেকর্ড ভাঙতে ইয়ামালের আর কতটি ড্রিবলিং প্রয়োজন?
নেইমারের ২০১৭ সালের রেকর্ডটি ছিল ৩৩৫টি সফল ড্রিবলিংয়ের। ইয়ামাল বর্তমানে ৩০৭টিতে আছেন, অর্থাৎ রেকর্ডটি স্পর্শ করতে তার আরও ২৮টি সফল ড্রিবলিং প্রয়োজন।
২০২৫ সালে ইয়ামালের গোল এবং অ্যাসিস্ট সংখ্যা কত?
২০২৫ সালে বার্সেলোনার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ইয়ামাল ৯টি গোল করেছেন এবং ১০টি গোলে সহায়তা (অ্যাসিস্ট) করেছেন।
লা লিগায় ইয়ামালের বর্তমান অবস্থান কী?
চলতি মৌসুমে লা লিগায় ইয়ামাল সর্বোচ্চ অ্যাসিস্ট দাতা হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন। তিনি এখন পর্যন্ত ৭টি গোল করিয়েছেন।
ইয়ামাল কি ইনজুরিতে পড়েছিলেন?
হ্যাঁ, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে ইয়ামাল ছোটখাটো চোটের কারণে কিছু ম্যাচ মিস করেছিলেন, যার ফলে তার পারফরম্যান্সে সাময়িক ভাটা পড়েছিল।
ইয়ামালকে কেন নেইমারের সাথে তুলনা করা হচ্ছে?
ইয়ামালের ড্রিবলিং স্টাইল এবং প্রতিপক্ষকে পরাস্ত করার কারিকুরি নেইমারের খেলার ধরণের সাথে অনেকটাই মিলে যায়, তাই বিশ্লেষকরা এই তুলনা করছেন।
JitaBet , JitaWin , এবং JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন, তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!
উপসংহার:
লিওনেল মেসি এবং নেইমারের মতো মহাতারকাদের সাথে একই সারিতে নাম লেখানো যেকোনো ফুটবলারের জন্যই স্বপ্নাতীত বিষয়। কিন্তু লামিনে ইয়ামাল প্রমাণ করেছেন যে, বয়স কেবল একটি সংখ্যা মাত্র। ২০২৫ সালে তার করা ৩০৭টি সফল ড্রিবলিং কেবল বার্সেলোনা ভক্তদের আনন্দ দেয়নি, বরং ফুটবল ইতিহাসের পাতায় তার নামকে স্বর্ণাক্ষরে লিখে দিয়েছে। মেসির রেকর্ড ভাঙা এবং নেইমারের রেকর্ডের পিছু নেওয়া—এই দুই ঘটনাই প্রমাণ করে যে ইয়ামাল আধুনিক ফুটবলের এক অনন্য প্রতিভা। তার খেলার মধ্যে যে নান্দনিকতা এবং কার্যকারিতার সংমিশ্রণ দেখা যায়, তা বর্তমান প্রজন্মের আর কোনো খেলোয়াড়ের মধ্যে এত স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান নয়।
এই সাফল্যের পথ সহজ ছিল না। চোট এবং মানসিক চাপের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ইয়ামাল যেভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন, তা তার পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়। ২০ ম্যাচে ৯ গোল এবং ১০ অ্যাসিস্টের পরিসংখ্যান কেবল তার ড্রিবলিংয়ের পরিপূরক হিসেবে কাজ করছে। বার্সেলোনার ১০ নম্বর জার্সিটি তার কাঁধে এখন আর বোঝা নয়, বরং তার শক্তির উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভবিষ্যতে তিনি নেইমারের ৩৩৫ ড্রিবলিংয়ের রেকর্ড ভাঙবেন কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, কিন্তু তিনি যে সমসাময়িক ফুটবলের সবচেয়ে প্রভাবশালী উইঙ্গার হয়ে উঠেছেন, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। ফুটবল বিশ্ব এখন কেবল মুগ্ধ হয়ে দেখছে এক কিশোরের জাদুকরী উত্থান, যিনি হয়তো অচিরেই নিজেকে সর্বকালের সেরাদের কাতারে নিয়ে যাবেন। তার এই দক্ষতা এবং মানসিকতা বজায় থাকলে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ হবে ইয়ামালের রাজত্ব গড়ে তোলার চূড়ান্ত মঞ্চ।
For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News






