শিরোনাম

অলিম্পিক ২০২৬: রাশিয়ার ‘নিরপেক্ষ’ অ্যাথলেট ও যুদ্ধ-বিতর্ক

Table of Contents

অলিম্পিক ২০২৬ শীতকালীন অলিম্পিকে রুশ অ্যাথলেটদের যুদ্ধ-সমর্থক কার্যক্রম এবং আইওসি-র কঠোর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। জেনে নিন নিরপেক্ষ পতাকাতলে অংশগ্রহণের নেপথ্য কাহিনী।ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটি (IOC) ২০২৬ সালের মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিকে মাত্র ১৩ জন রুশ অ্যাথলেটকে নিরপেক্ষ হিসেবে অংশগ্রহণের অনুমতি দিয়েছে। কঠোর তদন্তের পর দেখা গেছে, বহু অ্যাথলেট সরাসরি রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বা ইউক্রেন যুদ্ধের সমর্থনে প্রচারণায় যুক্ত ছিলেন, যার ফলে তাদের অলিম্পিক স্বপ্ন ভেস্তে গেছে। আন্তর্জাতিক মহলে এখন বড় প্রশ্ন—এই গুটিকয়েক ‘নিরপেক্ষ’ অ্যাথলেট কি সত্যিই রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, নাকি এটি ক্রেমলিনের একটি কৌশল?

কেন রাশিয়ার অ্যাথলেটদের অংশগ্রহণে এই কঠোর শর্তারোপ?

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক আগ্রাসনের পর থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গন থেকে রাশিয়াকে একঘরে করে রাখা হয়েছে। আইওসি (International Olympic Committee) স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, কোনো দলগত ইভেন্টে রাশিয়া অংশ নিতে পারবে না এবং শুধুমাত্র সেইসব ব্যক্তিগত অ্যাথলেট সুযোগ পাবেন যারা যুদ্ধের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নন। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, রাশিয়ার অনেক শীতকালীন ক্রীড়াবিদ সরাসরি রুশ সেনাবাহিনীর সদস্য বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার সাথে চুক্তিবদ্ধ।

ইউক্রেন ভিত্তিক Molfar Intelligence Institute-এর একটি বিস্তারিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ৫৬ জন রুশ অ্যাথলেটের প্রো-ওয়ার বা যুদ্ধ-সমর্থক কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে। এর ফলে, ফিগার স্কেটিং এবং স্কিইংয়ের মতো জনপ্রিয় ইভেন্টগুলোতে রাশিয়ার আধিপত্য থাকলেও এবার তাদের উপস্থিতি অত্যন্ত নগণ্য। আইওসি প্রেসিডেন্ট Kirsty Coventry জানিয়েছেন যে, অলিম্পিক চার্টার অনুযায়ী রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা বজায় রাখা বাধ্যতামূলক এবং যারা এটি লঙ্ঘন করবে তাদের জন্য অলিম্পিকের দরজা চিরতরে বন্ধ। The Guardian-এর এক প্রতিবেদনে এই রাজনৈতিক উত্তেজনার বিষয়টি বিস্তারিতভাবে উঠে এসেছে।

প্রু-ওয়ার বা যুদ্ধ-সমর্থক কার্যক্রমের প্রমাণগুলো কী কী?

তদন্তে দেখা গেছে, অনেক অ্যাথলেট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রুশ বাহিনীর বিজয় কামনা করে পোস্ট দিয়েছেন কিংবা সরাসরি যুদ্ধের প্রতীক ‘Z’ চিহ্ন প্রদর্শন করেছেন। এমনকি কিছু অ্যাথলেটকে দেখা গেছে অধিকৃত ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে আয়োজিত বিভিন্ন রাজনৈতিক র‍্যালিতে অংশ নিতে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডকে আইওসি “সক্রিয় যুদ্ধ সমর্থন” হিসেবে গণ্য করেছে। বিশেষ করে, ববস্লেইড এবং স্কেলিটন ফেডারেশনের অ্যাথলেটদের মধ্যে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে, যার কারণে এই ডিসিপ্লিনগুলোতে প্রায় সব রুশ অ্যাথলেটকেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক এক স্ক্যান্ডালে দেখা গেছে, ড্যানিল কুলেশভ নামের এক রুশ স্কেলিটন খেলোয়াড় ইউক্রেনীয় অ্যাথলেট ভ্লাদিস্লাভ হেরাস্কেভিচকে উদ্দেশ্য করে হিংসাত্মক বার্তা পাঠিয়েছিলেন। এই ধরনের উগ্র জাতীয়তাবাদী আচরণ অলিম্পিক স্পিরিটের পরিপন্থী বলে গণ্য করা হয়। The Moscow Times প্রকাশ করেছে যে, কঠোর স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ার কারণে রাশিয়ার বিখ্যাত অনেক তারকা এবার গ্যালারিতে বসে খেলা দেখতে বাধ্য হচ্ছেন। কোনো অ্যাথলেট যদি অতীতে সামরিক ইউনিফর্মে ছবি তুলে থাকেন বা সামরিক ক্লাবের সদস্য হয়ে থাকেন, তবে তাদের আবেদন সরাসরি নাকচ করে দেওয়া হয়েছে।

নিরপেক্ষ অ্যাথলেটদের (AIN) জন্য নির্ধারিত বিধিনিষেধগুলো কী?

যে ১৩ জন রুশ অ্যাথলেটকে অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়া হয়েছে, তারা Individual Neutral Athletes (AIN) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। তাদের পোশাকে রাশিয়ার জাতীয় পতাকা, রং বা কোনো প্রতীক থাকতে পারবে না। এমনকি তারা যদি স্বর্ণপদক জয় করেন, তবে রাশিয়ার জাতীয় সংগীতের পরিবর্তে অলিম্পিক সংগীত বাজানো হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই অ্যাথলেটদের মার্চ পাস্টে অংশ নিতেও নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে, যা রাশিয়ার জন্য একটি বড় কূটনৈতিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই অ্যাথলেটদের অর্জিত কোনো পদক রাশিয়ার অফিশিয়াল মেডেল তালিকায় যুক্ত হবে না। আইওসি-র এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইউক্রেন, তবে তারা এখনও রাশিয়ার সম্পূর্ণ বর্জনের দাবি জানাচ্ছে। Independent পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী, রাশিয়ার প্রভাবশালী ফিগার স্কেটার Adeliia Petrosian এবং পেত্র গুমেনিক নিরপেক্ষ হিসেবে কোয়ালিফাই করলেও তাদের প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর কড়া নজরদারি রাখা হবে। অলিম্পিক চলাকালীন যদি কোনো অ্যাথলেট কোনোভাবে রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার অ্যাক্রেডিটেশন বাতিল করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া কেমন?

বিশ্বজুড়ে ক্রীড়া বিশ্লেষকরা এই পরিস্থিতিকে “নতুন স্নায়ুযুদ্ধ” হিসেবে অভিহিত করছেন। রাশিয়ার অলিম্পিক কমিটি এই নিষেধাজ্ঞাকে “বৈষম্যমূলক এবং অগ্রহণযোগ্য” বলে দাবি করেছে। রাশিয়ার স্টেট ডুমা ডেপুটি ইরিনা রোদনিনা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “পুরো রাশিয়া এই ১৩ জন অ্যাথলেটের পাশে থাকবে এবং তারাই আমাদের আসল বীর।” তবে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো মনে করছে, রাশিয়ার ক্রীড়ানীতি সবসময়ই রাষ্ট্রীয় প্রচারণার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, তাই এই কঠোরতা প্রয়োজন ছিল।

আইওসি যোগাযোগ পরিচালক Mark Adams জানিয়েছেন, “আমাদের লক্ষ্য খেলাধুলাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখা, কিন্তু যখন কোনো দেশের সরকার অলিম্পিক ট্রুস (Olympic Truce) লঙ্ঘন করে এবং অ্যাথলেটরা সেই যুদ্ধকে সমর্থন দেয়, তখন নিরপেক্ষতা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।” AP News-এর এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, স্কি মাউন্টেনিয়ারিং এবং স্পিড স্কেটিংয়ের মতো ইভেন্টে রুশ অ্যাথলেটদের কোয়ালিফিকেশন প্রক্রিয়া ছিল সবচেয়ে জটিল। ইতালির মিলানে অনুষ্ঠিতব্য এই গেমসে রাশিয়ার উপস্থিতি নগণ্য হলেও নিরাপত্তার স্বার্থে সাইবার হামলা প্রতিরোধের প্রস্তুতি নিচ্ছে আয়োজক দেশ ইতালি।

এই বিতর্কের ভবিষ্যৎ এবং অলিম্পিক আন্দোলনের ওপর এর প্রভাব কী?

রুশ অ্যাথলেটদের এই বর্জন অলিম্পিক আন্দোলনের সংহতির ওপর একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আইওসি এখন ২০২৮ সালের লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকের জন্য নতুন নীতিমালা প্রণয়নের কথা ভাবছে। যদি যুদ্ধ অব্যাহত থাকে, তবে রাশিয়ার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরও কঠোর হতে পারে। অন্যদিকে, রাশিয়া অলিম্পিকের বিকল্প হিসেবে নিজস্ব “ওয়ার্ল্ড ফ্রেন্ডশিপ গেমস” আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, যা বৈশ্বিক ক্রীড়াঙ্গনকে দুই ভাগে বিভক্ত করার ঝুঁকি তৈরি করছে।

ইতিমধ্যে ইতালিতে রুশ-সংযুক্ত সাইবার হামলার প্রচেষ্টা নস্যাৎ করার খবর পাওয়া গেছে, যা অলিম্পিক আয়োজনের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে। তবে আইওসি প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেছেন যে, ২০২৬ অলিম্পিক শেষ পর্যন্ত শান্তির বার্তা ছড়িয়ে দেবে। তিনি বলেন, “আমরা একটি বিভক্ত বিশ্বে বাস করছি, কিন্তু অলিম্পিক যেন সেই জায়গা হয় যেখানে মানবতা একত্রিত হতে পারে।” এই ১৩ জন অ্যাথলেটের পারফরম্যান্স এবং তাদের আচরণ আগামী দিনগুলোতে রাশিয়ার অলিম্পিক ভাগ্যের পথ নির্ধারণ করবে।

একনজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

বিষয়বিবরণ
আয়োজক শহরমিলান এবং কোর্িনা, ইতালি
অনুমোদিত রুশ অ্যাথলেট সংখ্যা১৩ জন (ব্যক্তিগত নিরপেক্ষ)
প্রধান বিধিনিষেধজাতীয় পতাকা, সংগীত ও প্রতীক ব্যবহার নিষিদ্ধ
তদন্তের ভিত্তিপ্রো-ওয়ার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এবং সামরিক লিঙ্কিং
মূল গোয়েন্দা সংস্থাMolfar Intelligence Institute
আইওসি প্রেসিডেন্টKirsty Coventry

FAQ:

২০২৬ শীতকালীন অলিম্পিকে কি রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে অংশগ্রহণ করছে?

না, রাশিয়া একটি রাষ্ট্র হিসেবে অংশগ্রহণ করছে না। রাশিয়ার অলিম্পিক কমিটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শুধুমাত্র কিছু ব্যক্তিগত অ্যাথলেট যারা কোনো রাজনৈতিক বা সামরিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত নন, তারা ‘নিরপেক্ষ’ হিসেবে অংশ নিচ্ছেন।

প্রো-ওয়ার বা যুদ্ধ-সমর্থক কার্যক্রম বলতে আইওসি ঠিক কী বুঝিয়েছে?

আইওসি-র মতে, রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনকে সমর্থন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দেওয়া, ‘Z’ চিহ্নের ব্যবহার, রাশিয়ার সামরিক বাহিনী বা নিরাপত্তা সংস্থার সাথে চুক্তি থাকা এবং যুদ্ধের সমর্থনে আয়োজিত কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়াকে প্রো-ওয়ার কার্যক্রম হিসেবে ধরা হয়েছে।

কেন রাশিয়ার সব অ্যাথলেটকে নিষিদ্ধ করা হয়নি?

আইওসি মনে করে যে, কোনো অ্যাথলেটকে তার সরকারের কর্মকাণ্ডের জন্য শাস্তি দেওয়া উচিত নয় যদি না সে নিজে সেই কর্মকাণ্ডে সরাসরি সমর্থন দেয়। তাই ব্যক্তিগতভাবে নিরপেক্ষ থাকা অ্যাথলেটদের জন্য অলিম্পিকের সুযোগ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

রুশ অ্যাথলেটরা কি পদক জিতলে রাশিয়ার পতাকা ওড়ানো হবে?

একেবারেই না। পদক জয়ের ক্ষেত্রে অলিম্পিকের নিরপেক্ষ পতাকা ওড়ানো হবে এবং রাশিয়ার জাতীয় সংগীতের পরিবর্তে অলিম্পিক অ্যানথেম বাজানো হবে। এছাড়া তাদের পদক রাশিয়ার জাতীয় পদক তালিকায় গণ্য করা হবে না।

ইউক্রেন কি এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে?

হ্যাঁ, ইউক্রেন সরকারের দাবি ছিল রাশিয়ার সমস্ত অ্যাথলেটকে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। তাদের মতে, কোনো রুশ অ্যাথলেটই পুরোপুরি নিরপেক্ষ নয় কারণ তারা রাষ্ট্রীয় অর্থায়নে প্রশিক্ষণ নেয়। তবে আইওসি তাদের এই দাবি পুরোপুরি গ্রহণ করেনি।

রাশিয়ার টিম স্পোর্টস বা দলগত খেলাগুলোর কী হবে?

আইস হকি বা কার্লিংয়ের মতো দলগত ইভেন্টে রাশিয়া এবং বেলারুশকে সরাসরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ২০২৬ অলিম্পিকে রাশিয়ার শক্তিশালী আইস হকি দল এবার অংশ নিতে পারছে না, যা টুর্নামেন্টের বিন্যাসে বড় পরিবর্তন এনেছে।

JitaBet ,  JitaWin , এবং  JitaGo- তে আপনার বাজি ধরুন,   তারা সত্যিই ভালো সম্ভাবনা অফার করে, খেলুন এবং বড় জয়লাভ করুন!

উপসংহার:

২০২৬ সালের মিলান-কোর্টিনা শীতকালীন অলিম্পিক কেবল বরফের ওপর দক্ষতার লড়াই নয়, বরং এটি হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্ব রাজনীতির এক জটিল রণক্ষেত্র। ১৩ জন রুশ অ্যাথলেটকে নিরপেক্ষ হিসেবে সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে আইওসি একদিকে যেমন মানবিক মূল্যবোধ ও অ্যাথলেটদের ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার চেষ্টা করেছে, অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার ওপর কঠোর চাপ বজায় রেখেছে। এই ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং, কারণ ক্রেমলিন সবসময়ই ক্রীড়া সাফল্যকে তাদের জাতীয়তাবাদের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে এসেছে।

অনুসন্ধানী তথ্যে দেখা গেছে যে, অধিকাংশ রুশ ক্রীড়াবিদই কোনো না কোনোভাবে রাশিয়ার সামরিক কাঠামোর সাথে যুক্ত। সেন্ট্রাল স্পোর্টস ক্লাব অফ দ্য আর্মি (CSKA) এর মতো প্রতিষ্ঠানের হয়ে খেলা অ্যাথলেটদের জন্য নিরপেক্ষতার প্রমাণ দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ফলে, এবারের অলিম্পিকে রাশিয়ার অনুপস্থিতি অলিম্পিক ইতিহাসের এক অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। রাশিয়ার ক্রীড়াবিদদের এই অনুপস্থিতি কেবল পদক তালিকার হিসেবে নয়, বরং অলিম্পিক আন্দোলনের যে “শান্তি ও একতা”র মূলমন্ত্র, তাকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।

For More Update Follow JitaSports English News and JitaSports BD News